জেমির অর্থ পরিশোধের ডেডলাইন অতিক্রম করেছে বাফুফে
<![CDATA[
গত বছরের ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে জেমি ডে’র পাওনা পরিশোধ করার ডেডলাইন বেধে দিয়েছিলো ফিফা। সময় পেরিয়ে গেলেও জাতীয় দলের সাবেক ফুটবল কোচের পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হয় বাফুফে। যার জন্য এখন প্রতিদিন বাড়ছে দণ্ডের অঙ্কের পরিমাণ।
গত ৩১ ডিসেম্বর বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটিতে জেমির পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছান সদস্যরা। লক্ষ্য জেমির সঙ্গে সমঝোতা করে কোটি টাকার জরিমানা কমিয়ে আনা। তবে সময় সংবাদে জেমি সাফ জানিয়ে দেন, কম অর্থ নিতে রাজী নন তিনি।
চুক্তি শেষ হবার আগেই বাংলাদেশের সাবেক কোচ জেমি ডে-কে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলো বাফুফে। পারিশ্রমিকের পূর্ণ অর্থ না দিয়ে চাকুরিচ্যুত করায় ফিফার দ্বারস্থ হন ব্রিটিশ কোচ। গেল বছর ১৯ অক্টোবর রায় আসে জেমির পক্ষে। জেমির পাওনা ৮৬ হাজার মার্কিন ডলার পরিশোধে বাফুফেকে আদেশ দেয় ফিফা।
২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই অর্থ পরিশোধের কথা থাকলেও, তা পরিশোধে ব্যর্থ হয় বাফুফে। এতে প্রতিদিনই বাড়ছে জরিমানার অংক। আরও বিলম্ব হলে আর্থিক অঙ্কে যা কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেসিরা
এ বিষয়ে বাফুফের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, গেল ৩১ ডিসেম্বরের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে জেমির পাওনা সব অর্থ পরিশোধের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। তা পরিশোধে মতানৈক্যে পৌঁছেছে সব সদস্য। তবে বাংলাদেশের সাবেক কোচের সঙ্গে সমঝোতা করে আর্থিক দণ্ড কিছুটা কমিয়ে আনতে চায় বাফুফে। চেষ্টা করা হচ্ছে কয়েকটি কিস্তিতে অর্থ পরিশোধেরও।
জেমি ডে’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সময় সংবাদকে তিনি জানান, কম অর্থ নিতে রাজী নন তিনি। তাকে ফিফার নির্ধারিত পুরো অর্থ দিতে হবে। এতে স্পষ্ট, গেল এক যুগে সাফল্যে সব চেয়ে এগিয়ে থেকেও চাকুরিচ্যুত হওয়াটা মেনে নিতে পারেননি জেমি।
জেমি ডে চলে যাবার পর অস্কার ব্রুজন, মারিও লেমোস দায়িত্ব পেলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি। বর্তমান কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি নবায়ন করতে যাচ্ছে বাফুফে। যার অধীনে ৮ ম্যাচ খেলে মাত্র ১টিতে জিতেছে বাংলাদেশ।
]]>




