সবার আগে নববর্ষ বরণ করল সামোয়া
<![CDATA[
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নতুন ইংরেজি বছর ২০২৩-কে স্বাগত জানালো প্রশান্ত মহাসগারীয় দ্বীপপুঞ্জ সামোয়া। প্রায় একই সময়ে নতুন বছর বরণ করে নিয়েছে একই অঞ্চলের টোঙ্গা ও কিরিবাতি। এরপর নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড।
আন্তর্জাতিক মান সময়ের তারতম্যের কারণে নতুন বছরকে আগে বরণ করার সুযোগ পায় কিছু দেশ। ওই দেশগুলোর একটি নিউজিল্যান্ড। তবে নিউজিল্যান্ডের এক ঘণ্টা আগে সামোয়াতে নতুন বছরের আগমন হয়।
সিএনএনের প্রতিবেদন মতে, আন্তর্জাতিক মান সময় অনুযায়ী শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় নববর্ষ বরণ করে নেয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় তিন দ্বীপ দেশ সামোয়া, টোঙ্গা ও কিরিবাতি। এরপর ৫টা ১৫ মিনিটে বরণ করে নিউজিল্যান্ডের চ্যাটাম আইল্যান্ডস। সন্ধ্যা ৭টায় রাশিয়ার ভোট কিছু অঞ্চল ও আর ও সাত স্থানে নববর্ষ বরণে করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন মালয়েশিয়ার রাজা-রানি
এরপর ৮টায় অস্ট্রেলিয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল ও আরও সাত স্থানে নববর্ষ উদযাপন করা হয়। সাড়ে ৮টায় অস্ট্রেলিয়ার ছোট ছোট কিছু অঞ্চলে। রাত ১০টায় নববর্ষ বরণ করে নেবে সুর্যোদয়ের দেশ জাপান। এরপর উদযাপন শুরু হবে চীন, ফিলিপিন্সসহ এশিয়ার আরও ১০টি দেশে।
একসময় সবার আগে নতুন বর্ষে ঢুকে পড়তো কিরিবাতি নামের দ্বীপটি। দ্বীপটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার পশ্চিমাংশের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত। ১৯৯০ সালের আগে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কিরিবাতির ওপর দিয়ে যেত, যার ফলে কিরিবাটির দুই অংশে থাকত দুই তারিখ।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কিরিবাতির সর্বপূবের দ্বীপ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে কিরিবাটি জুড়ে এখন একটি তারিখই থাকে। সবার আগে ‘সামোয়া’র সঙ্গে পুরো কিরিবাটি উদযাপন করতে পারে ইংরেজি নববর্ষ।
আরও পড়ু্ন: যুক্তরাষ্ট্রে চলছে বর্ষবরণের মহড়া
ভৌগলিক কারণে লন্ডনের গ্রিনিচ মিন টাইম থেকে ১৪ ঘন্টা এগিয়ে থাকা কিরিবাতি দ্বীপের কিরিটিমাটি শহরেই বিশ্বে প্রথম ক্যালেন্ডারের পাতা নতুন বছরে ঢুকে পড়ে। বদলে যায় সাল তারিখ। নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর শেষ জায়গা হলো বেকার দ্বীপ ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ।
]]>




