বাংলাদেশ

অনিয়ম ধরা পড়েনি কমিশনের সিসি ক্যামেরায়, খুশি সিইসি

<![CDATA[

জেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার পেছনে গাইবান্ধা উপনির্বাচন ও সিসি ক্যামেরার প্রভাব দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশন কাজী হাবিবুল আউয়াল। নির্বাচনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি। সোমবার (১৭ অক্টোবর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে বসে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সিইসি একথা বলেন।

গাইবান্ধা উপনির্বাচনের পরই সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি। ৫৭ টি জেলা পরিষদ নির্বাচনেও কমিশন ধরে রেখেছে সেই ধারাবাহিকতা। সকাল নয়টায় ভোটগ্রহণের শুরু থেকেই পুরো কমিশন নির্বাচন ভবনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে।

৪৬২টি ভোট কেন্দ্রের ৯২৫টি ভোট কক্ষে বসানো হয়েছে প্রায় পনের’শ গোপন ক্যামেরা। যার নিয়ন্ত্রণ এই কন্ট্রোল রুমে। কোথাও কোনো অসঙ্গতি মনে হলেই বড় মনিটরে তা দেখে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছেন তারা। তবে এই দফায় তেমন কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি কমিশনের সিসি ক্যামেরায়।

৬০ হাজার ৮৬৬ জন জনপ্রতিনিধি ভোটার এই নির্বচনে। পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের।

আরও পড়ুন: জেলা পরিষদ নির্বাচনের পরিবেশে সন্তুষ্ট সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, কোথা থেকে কোনো আনিয়ম, সহিংসতা, গোলযোগ বা গণ্ডগোলের কোনো খবর আমরা পায়নি। এছাড়া আমরা কোনো অনিয়ম দেখিনি, টেলিফোনের মাধ্যমে যেসব তথ্য পেয়েছি সেখানে ভোট সুষ্ঠু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গাইবান্ধার প্রভাব এই নির্বাচনে পড়েছে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সিসি ক্যামেরা দিয়ে যেভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। যারা ভোটার বা যারা প্রার্থী তারা যদি কোনো গুরুতর অনিয়ম করেন তাহলে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা মনে করি ওটার একটা পজিটিভ ইমপ্যাক্ট এই নির্বাচনেও পড়েছে।

চেয়ারম্যান পদে লড়েছেন ৯২ জন সদস্য পদে ১৪৮৫ জন আর সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে লড়েছেন ৬০৩ জন। দুই জেলায় তিনটি পদেই বিনাপ্রতিদন্দিতায় বিজয়ী হয়েছেন সবাই। এছাড়া আরও ২৪টি জেলাপরিষদে কেবল চেয়ারম্যান একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!