অবহেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের খেলার মাঠ
<![CDATA[
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন একটি মাঠ কয়েক বছর ধরে পড়ে আছে অবহেলায়। দৃশ্যমান কোনো কাজ না হলেও, এতে মাথাব্যথা নেই সংশ্লিষ্টদের। তবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে মাঠ বুঝে পেলে শিগগিরই শুরু হবে মাঠের কাজ। সময় সংবাদকে এমনটাই জানালেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
ঘাস, লতাপাতা, আগাছায় ছেয়ে গেছে। পা ফেলারও জায়গা নেই। নেই কোনো তদারকি। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন জায়গাটি দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটি খেলার মাঠের জন্য প্রস্তাবিত একটি জায়গা। সমাজের বিশেষভাবে সক্ষম খেলোয়াড়দের জন্য প্রস্তাবিত মাঠের জায়গা এটি।
বছরের পর বছর ঠিক এভাবেই পড়ে আছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে দেশের প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের ক্রীড়াঙ্গনে অংশগ্রহণে আগ্রহী করে তোলার জন্য বরাদ্দ করা হয় জায়গাটি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর পেরিয়ে গেছে অর্ধযুগের বেশি। কিন্তু পরিবর্তন হয়নি চিত্র। আজও সেখানে হয়নি খেলার উপযোগী মাঠ।
আরও পড়ুন: প্রতারক ছোট ভাইয়ের শাস্তির আকুতি ক্রিকেটার বিজয়ের
নানা প্রতিবন্ধকতা জয় করে, বিশ্বদরবারে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন তারা। জিতেছেন অনেক ট্রফি। তবে এই খেলোয়াড়দের নিজেদের মাঠে অনুশীলন কিংবা ম্যাচ খেলার কোনো ব্যবস্থা আজও করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এখনও আশ্বাসেই আটকে আছে মন্ত্রণালয়।
সময় সংবাদের মুখোমুখি হয়ে জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘এ মাসের মধ্যে আমরা আশা করছি যে কাজ শুরু হবে। জমিটা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের। কাজ শুরু করার আগে আমাদের জমিটা তাদের কাছ থেকে বুঝে নিতে হবে। জমি হস্তান্তর নিয়ে একটু সময় লাগছে বলে আমাদের কাজটা শুরু করতে দেরি হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: মেয়র কাপে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বসিত শাটলাররা
এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নানাবিধ সুবিধাসহ মাঠের কাজ সম্পন্ন করার আশা তাদের। এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ শ্রেণির মানুষ যারা আছেন, তাদের সবাইকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যার যে সমস্যা থাকুক না কেন, সবাই যেন অংশগ্রহণ করতে পারেন। হয়তো আগামী এক বা দেড় বছরের মধ্যে আমরা কাজ শেষ করতে পারব।’
মাঠ স্বল্পতা ক্রীড়াঙ্গনের এক বিরাট সমস্যা। বরাদ্দ পেয়েও বছরের পর বছর পড়ে থাকার অগণিত ঘটনা আছে। এই মাঠও কি আদৌ খেলার উপযোগী হবে, নাকি মন্ত্রণালয় আর ক্রীড়া পরিষদের টেবিলে ধুলোয় হারিয়ে যাবে মাঠ সংশ্লিষ্ট নথি আর ফাইল, সেটাই এখন দেখার পালা।
]]>




