আরব আমিরাতে উৎসবের আমেজ
<![CDATA[
পথে পথে বিশাল টোলগেট আর তার স্ক্রিনে লেখা ‘ইউএই টু দ্য মুন’। কোথাও বিশাল ডিজিটাল বিলবোর্ড, আবার কোথাও এলইডি স্ক্রিনে খুদেবার্তা দেয়া হচ্ছে চন্দ্রাভিযানকে ঘিরে। এ নিয়ে দেশটিতে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের মধ্যেই দেখা যায় উৎসবের আমেজ।
আরব বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে রোববার (১১ ডিসেম্বর) চাঁদে চন্দ্রযান পাঠালো সংযুক্ত আরব আমিরাত। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ক্যাপ ক্যানাভেরালের মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ‘রশিদ’ নামের যানটি যাত্রা করে।
মার্কিন মহাকাশযান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে ‘রশিদ’ উৎক্ষেপণ করা হয়। জাপানের মুন ল্যান্ডার হাকুতু-আর মিশনের-১-এর দিকে যাচ্ছে এটি। পরে মুন ল্যান্ডারের মাধ্যমে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে যানটি।
আরও পড়ুন: চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা আরব বিশ্বের প্রথম চন্দ্রযান
আপাতত আমিরাতের চন্দ্রযান উৎক্ষেপণে সফল হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এটি চাঁদে অবতরণ করবে তা বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত পরিচালনা করা চন্দ্রাভিযানের চার ভাগের তিন ভাগই ব্যর্থ হয়েছে।
আরব আমিরাতের মহাকাশ সংস্থার মহাপরিচালক সালেম আল মারিও বলেন, রশিদ সফলভাবে অবতরণ করলেই তাদের মিশন সফল হবে। তিনি বলেন, এটি অনন্য উৎক্ষেপণ। এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু হয়েছে।
আরও পড়ুন: মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী পাঠাল চীন
সালেম আল মারিও আরও বলেন, স্পেসএক্স অসাধারণ প্রতিষ্ঠান। তাদের সব কাজই ভালো। চাঁদে যাওয়ার কঠিন যাত্রা শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। আশা করি, সব ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হবে।
এদিকে চন্দ্রযান উৎক্ষেপণের সময় আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুম এবং দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ ইউএইর মহাকাশ সংস্থার কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত ছিলেন।
]]>




