আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৬ লাখ মানুষ
<![CDATA[
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে উপকূলীয় ১৫ জেলায় ৬ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এক লাখ ১৯ হাজারের বেশি গবাদি পশুকেও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২৪ অক্টোবর) রাতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলীয় এসব জেলায় ৬ হাজার ৯২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছিল, যেখানে ৩৯ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবেলায় উপকূলীয় জেলাগুলোর ৭ হাজার ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে ২৫ লাখ মানুষ ঠাঁই নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।
সিত্রাংয়ের যে বিস্তার, তাতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৩ জেলায় এ ঝড় তাণ্ডব চালাতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এ জেলাগুলো হল– বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ফেনী। এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দ্বীপ অঞ্চল মহেশখালী, হাতিয়া, সন্দ্বীপ এলাকাও ঝুঁকিপূর্ণ।
তবে বরগুনা সদর, পাথরঘাটা ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি পড়বে বলে মনে করছেন এনামুর রহমান।
দুর্যোগপ্রবণ জেলাগুলোয় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
]]>




