ইংল্যান্ড-ইরান ম্যাচের টিকিট উপহার পেলেন প্রবাসী শ্রমিকরা
<![CDATA[
ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস ফুটবল দলের অনুশীলনে অংশ নিলেন প্রবাসী শ্রমিকরা। তারকা ফুটবলারদের কাছ থেকে দেখার পাশাপাশি উপহার হিসেবে জুটেছে অটোগ্রাফ আর ইংল্যান্ড-ইরান ম্যাচের টিকিট। স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজে অংশ নেয়া এ শ্রমিকদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে খুশি ফুটবলাররাও। তবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে প্রবাসী শ্রমিকরা।
হুট করে দেখলে কিছুটা অবাক হতেই হবে। ইংলিশ জাতীয় দলের অনুশীলনে একঝাঁক অপরিচিত মুখ। হ্যারি কেইন-বুকায়ো সাকাদের সঙ্গে হেসেখেলে সময় কাটানো অপরিচিতদের হাত ধরেই নির্মিত হয়েছে কাতার বিশ্বকাপের মঞ্চ।
কেবল অনুশীলন নয়, ইংলিশ ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলে অটোগ্রাফ নিয়ে উপহার হিসেবে কপালে জুটেছে ম্যাচের টিকিটও। নিজেদের প্রথম ম্যাচে এসব প্রবাসী শ্রমিকদের মাঠে এসে খেলা দেখার অনুরোধ করেছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল।
ইংলিশদের মতো নেদারল্যান্ডসের অনুশীলনেও উপস্থিতি দেখা গেছে প্রবাসী শ্রমিকদের। দোহায় অবস্থিত কাতার ইউনিভার্সিটির ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ডাচ ফুটবলারদের সঙ্গে একান্ত সময় কাটান তারা। এসব শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়ে খুশি ফুটবলাররাও।
আরও পড়ুন: বৃষ্টির বাগড়ায় অন্য খেলা খেলল ভারত-নিউজিল্যান্ড!
নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক বলেন, ‘তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারাটা আমাদের জন্য বিশাল ব্যাপার। তবে আমিও আগেই বলেছি, ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, দেখা করার সময় ক্যামেরা না থাকলেই আমি খুশি হতাম। যদিও দিন শেষে এভাবেই সবকিছু ঘটে।’
ডাচ ফুটবলার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং বলেন, ‘এখানে তার পরিস্থিতি নিয়ে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তবে আমার ধারণা তারা এতটাই খুশি যে ওসব বিষয় নিয়ে আপাতত ভাবছে না। সে আমাকে লিভারপুলে যোগ দেয়ার ব্যাপারে অনুরোধ করছিল।’
ইংলিশ প্রভাবশালী গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের মতে, কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনে মৃত্যু হয়েছে সাড়ে ৬ হাজার এশিয়ান প্রবাসী শ্রমিকের। ইউরোপজুড়ে বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক মূলত এ কারণেই। তবে ফুটবলারদের সঙ্গে দেখা করা এক শ্রমিক এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ৬ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ‘৯৭৪ স্টেডিয়ামে’
উজাইরমুর্তজা নামে ওই প্রবাসী শ্রমিক বলেন, ‘এটা জীবনের অংশ। আপনি যেখানেই যান না কেন, রাস্তায় কাজ করুন কিংবা নিজের ঘরে, অবশ্যই আপনার কষ্ট হবে এবং চোটও পেতে পারেন। এটা জীবনের অংশ এবং এ ধরনের ঘটনা ঘটবেই। তবে যে ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং সহযোগিতা তারা দেয়, তা অসাধারণ।’
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে কাতারে মৃত্যুবরণ করা প্রবাসীর সংখ্যা ১৫ হাজার।
]]>




