ইন্দোনেশিয়ায় পরপর চারবার ভূকম্পন
<![CDATA[
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতের পর থেকে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত চার দফায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতত্ত্ব সংস্থার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, প্রতিটি ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ২।
সংস্থাটি জানায়, এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৬ কিলোমিটার গভীরে।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতত্ত্ব সংস্থার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পের ফলে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের কারণে সুনামির আশঙ্কা নেই।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালিতে ভূমিকম্প, সতর্কতা জারি
এর আগে গত সোমবার (২৯ আগস্ট) ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা উপকূলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
এদিন ওই এলাকায় আরও দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর তিনটি ভূমিকম্পের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বাড়ে। ভোরে হওয়া প্রথম ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২, এক ঘণ্টার মধ্যে অনুভূত হওয়া দ্বিতীয়টি ছিল ৫ দশমিক ৪ মাত্রার। এরপর স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার তৃতীয় ভূকম্পটি হয়। পরে তা সংশোধন করে ৬ দশমিক ১ করা হয়।
ভৌগোলিক কারণে ইন্দোনেশিয়া ভূকম্পনপ্রবণ দেশ। অঞ্চলটিতে ভূত্বকের কয়েকটি পৃথক টেকটোনিক প্লেট এসে মিলেছে। আর তাই এখানে ঘনঘন ভূমিকম্প ও অগ্ন্যুৎপাতের মতো ঘটনা ঘটে। ২০০৯ সালে পাডাংয়ে হওয়া ৭ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ২০০৪ সালে বড় মাত্রার ভূমিকম্প ও এর প্রভাবে সৃষ্ট সুনামিতে মৃত্যু হয় ২ লাখের বেশি মানুষের।
]]>




