ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশ্বকাপে কাতার যা করছে
<![CDATA[
সব বিশ্বকাপ থেকে এবারের কাতার বিশ্বকাপটি আলাদা। শেখরা তাদের ঐতিহ্যবাহী ড্রেস পরে খেলা দেখছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে কাতার। তার পাশাপাশি আরও কিছু ইসলামি বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে কাতার চলমান বিশ্বকাপে।
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের’ ২২তম আসরে রোববার (২০ নভেম্বর) জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা মর্গান ফ্রিম্যানের সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করেন ঘানিম আল মুফতাহ। শুধু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই নয়, কাতারজুড়ে নবীর (স.) বাণী, ইসলামি শিক্ষার ব্যানার লাগিয়েছে আয়োজকরা, যা দেখে সবাই উচ্ছ্বসিত।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ইতিহাস বদলানো ফুটবলার এনার ভ্যালেন্সিয়া
দর্শক এবং খেলোয়াড়দের জন্য ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কাতার যা যা করছে:
১. সব জায়গায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্ প্রচার করা।
২. হোটেল কক্ষগুলোতে একটি বারকোড রয়েছে, যা ইসলামের শিক্ষা, হাদিস এবং মুসলিম বিশ্বাসের একটি সহজ সংজ্ঞার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।
৩. তারা মসজিদের মুয়াজ্জিন পরিবর্তন করে সুন্দর কণ্ঠের লোকদের নিয়ে এসেছে এবং আজানের জন্য স্টেডিয়ামে মাইক্রোফোন রাখা হয়েছে।
৪. কাতার গেস্ট সেন্টার, ইসলামের দাওয়াত দেয়ার জন্য ২ হাজার সদস্যের একটি দল প্রস্তুত করছে, যেখানে তারা ১০টি মোবাইল গাড়ি এবং ১০টি বিশেষ তাঁবু বরাদ্দ করবে।
৫. দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন ভাষায় আওকাফ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইসলামিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
৬. বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্টেডিয়ামে নামাজের জায়গা এবং অজুর জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় অভাগা ফুটবলার বেনজেমা
এসব ভিন্নতার জন্যই কাতার বিশ্বকাপ অন্য সব বিশ্বকাপ থেকে আলাদা। ২০২২সহ দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করছে এশিয়ার কোনো দেশ। এর আগে ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সম্মিলিতভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। তবে কাতারই প্রথম মুসলিম দেশ, যারা বিশ্বকাপ আয়োজন করছে।
]]>




