উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির অভিযোগ
<![CDATA[
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফার্ম থেকে গেল বছর ১০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি করেছে উত্তর কোরিয়া। এমনটাই অভিযোগ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা-এফবিআই। যদিও সংস্থাটির এমন অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে কিম জং উন প্রশাসন।
একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে বছরজুড়েই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর শিরোনামে থাকে উত্তর কোরিয়া। কখনও দক্ষিণ কোরিয়া, কখনও আবার জাপান সাগরের সীমান্তে আঘাত হানে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র। তবে এবার ক্ষেপণাস্ত্র নয়, কিম জং উনের দেশের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন: যেসব কারণে ধসে পড়ল ক্রিপ্টো রাজার রাজত্ব
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফার্ম থেকে গেল বছর ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয়েছে। এ চুরির সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই।
শুধু তাই নয়, ২০২২ সালের জুনে দেশটির দুই হ্যাকিং গ্রুপ লাজারুস এবং এপিটি৩৮ ক্রিপ্টোকারেন্সি ফার্ম হারমনির ওপর সাইবার হামলা চালায় বলেও জানায় এফবিআই। পাশাপাশি ওই বছরের শুরুতে প্রাইভেসি প্রটোকল রেলগান ব্যবহার ৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানের ইথিরিয়াম সরিয়ে নেয় তারা। এরপর চুরি করা সেই ইথিরিয়ামের একটি অংশ বেশ কয়েকটি ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট সরবরাহকারীদের পাঠানো হয়। তৈরি করা হয় বিটকয়েন।
মার্কিন সংস্থাটি আরও জানায়, তারা ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট সরবরাহকারীদের সহায়তায় চোরাইকৃত কিছু ইথিরিয়াম জব্দ করতে পেরেছে। যদিও সংস্থাটির এমন অভিযোগকে ভুয়া বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।
আরও পড়ুন: সময়ের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক /ক্রিপ্টো গডফাদার কে এই ভিটালিক বুটেরিন?
এদিকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, কিম জং উন প্রশাসনের হ্যাকাররা গেল পাঁচ বছরে তাদের ১.২ বিলিয়ন ডলারের ভার্চ্যুয়াল অ্যাসেট চুরি করেছে।
]]>




