এগিয়ে গেল ব্রাজিল
<![CDATA[
বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধ হতাশায় কেটেছে ব্রাজিলের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে মুহুর্মুহু চেষ্টার পর রিচার্লিসনের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
লুসাইল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) ম্যাচের ৬৫ মিনিট পর্যন্ত সার্বিয়ার বিপক্ষে ১- ০ গোলে এগিয়ে ব্রাজিল।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। পাল্টা আক্রমণে সার্বিয়াও সুযোগ বুঝে ভীতি ছড়িয়েছে ব্রাজিলের রক্ষণে। ১৩তম মিনিটে ডি বক্সে ঢুকে গোলের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে সার্বিয়ার ডিফেন্ডারদের বাধায় তিনি বল সতীর্থদের পাস দিতে পারেননি। পরের মিনিটে কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন নেইমার। আবারও কর্নারের বিনিময়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন প্রতিপক্ষের মিলিনকোভিচ।
আরও পড়ুন: নেইমারের শার্ট খুলে ফেললেন প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়!
ম্যাচের ২১তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন ক্যাসেমিরো। তবে বল সরাসরি চলে যায় মিলিনকোভিচের গ্লাভসে। ২৫তম মিনিটে অ্যালিসন নৈপুণ্যে বিপদ থেকে হাফ ছেড়ে বাঁচে ব্রাজিল। সতীর্থের বাড়ানো বলে লাফিয়ে উঠেও হেড দিতে ব্যর্থ হন সার্বিয়ান স্ট্রাইকার মিত্রোভিচ। সেই বল গ্লাভসবন্দী করে নেন অ্যালিসন। এরপর সার্বিয়ান রক্ষণদুর্গে টানা আক্রমণ চালিয়ে যায় তিতের শিষ্যরা।
২৭তম মিনিটে সিলভার পাস ডি-বক্সে ভিনিসিয়ুস দখলে নেওয়ার আগেই ঝাপিয়ে পড়ে ক্লিয়ার করেন মিলিনকোভিচ। ৩১ মিনিটে ডি-বক্সের বাম প্রান্ত থেকে রাফিনিয়ার বাড়ানো পাস পা বাড়িয়ে সিলভা স্পর্শ করার আগে গ্লাভসবন্দী করে নেন সার্বিয়ান বাজপাখি। আগের মিনিটে ক্যাসেমিরোর হেড গোলবারের সামনে থেকে ক্লিয়ার করে দলকে বিপদমুক্ত করেন ভেলজকোভিচ। ৩৫ মিনিটে রাফিনিয়ার দুর্বল শর্ট পরাস্ত করতে পারেনি সার্বিয়ান গোলরক্ষককে।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয়ার্ধে গোলবন্যা, ঘানার বিপক্ষে জিতল রোনালদোর পর্তুগাল
একের পর এক চাপ সামলে ৩৭ মিনিটে আক্রমণে ওঠে সার্বিয়া। ব্রাজিলের রক্ষণদুর্গে প্রবেশ করলেও তারা শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি। ৪১ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ভিনিসিয়ুস। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য স্কোরলাইন নিয়ে বিরতিতে যেতে হয় দুই দলকে।
বিরতির পর ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে সেলেসাওদের হতাশ করেন রাফিনিয়া। পেনাল্টি এরিয়ার সামনে তার নেওয়া শট এগিয়ে এসে ঠেকিয়ে দেন মিলিনকোভিচ। ৪৮ মিনিটে ডি বক্সের ঠিক বাইরে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথে পেছন থেকে নেইমারকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন নিমানজা গুদেলজ। নেইমারের নেওয়া ফ্রি কিক সার্বিয়ান খেলোয়াড়;রে উচ্চতার কাছে হারে মানে। পরের মিনিটে নেইমারের নেওয়া কর্নার ডি-বক্সে সিলভা হেড নিলে সেটির ফলাফলও একই হয়।
৫৩ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করেন পাকেতা। দুই মিনিট পর নেইমারের নেওয়া শটটি থাকেনি লক্ষ্য বরাবর। ৫৮ মিনিটে গোলবারের সামনে থেকে ব্রাজিলকে কর্নারের বিনিময়ে বিপদমুক্ত করেন সানেদ্রা। ৬০ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে অ্যালেক্স সান্দ্রোর নেওয়া দুর্দান্ত শট বারে লেগে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টার পর অবশেষে ৬২ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন রিচার্লিসন। বাঁ প্রান্ত থেকে ভিনিসিউসের নেওয়া শট মিলিরকোভিচের হাতে লেগে চলে যায় রিচার্লিসনের কাছে। বাকি কাজটা তিনি সেরে নেন। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন তিতের শিষ্যরা। তবে শেষ পর্যন্ত তারা লক্ষ্য ঠিক রাখতে পারেননি।
দুই দলের এখন পর্যন্ত দুবারের দেখায় শতভাগ জয় ব্রাজিলের পক্ষে। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে সেলেসাওরা ২-০ গোলে হারিয়েছিল সার্বিয়াকে। তার আগে ২০১৪ সালে প্রীতি ম্যাচের দেখায় ১-০ গোলে জয় তুলে নেয় ব্রাজিল।
]]>




