খেলা

এবার প্যারিসেও জিদানের মোমের মূর্তি

<![CDATA[

প্যারিসের ঝলমলে রাতের সব আলো একজনের দিকে। তিনি ফরাসিদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় জিনেদিন জিদান। যার হাত ধরে প্রথমবারের মতো বিশ্বজয়ের সুধা পান করেছিল ফরাসিরা। সাদা শার্ট আর কালো ব্লেজারে জিদানকে দেখলে কে বলবে ৫০-এ পা দিয়েছেন চির সবুজ এই ফুটবলার। লন্ডনের মাদাম তুসোর পর এবার ফ্রান্সের প্যারিসেও তৈরি করা হয়েছে জিদানের মোমের মূর্তি।

আর কদিন পরই মরুর বুকে বসছে প্রথম বিশ্বকাপ। মাঠের লড়াইয়ে না থেকেও আছেন জিদান। উত্তরসূরিদের অনুপ্রাণিত করতে সব সমযেই কাজ করে যাচ্ছেন জিজু। বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফুটবলারও যেন উজ্জীবিত হতে পারে এ কারণেই প্যারিসে জিদানের অর্জনকে জমকালো আয়োজনে স্মরণ করা হয়।

নিজের মূর্তির পাশে দাঁড়িয়ে বড় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন জিদান। তা চোখ এড়ায়নি স্ত্রী ভেরোনিকা ও তার বাবা-মার চোখও। ২০০৬ বিশ্বকাপে মাতারাজ্জিকে ঢুস মারার বিষয় উঠে আসলেও তা এড়িয়ে গেলেন জিদান।

আরও পড়ুন: তাসকিনের সাফল্যের রহস্য

তিনি বলেন, ‘১৯৯৮ সালটা সত্যিই আমার জীবনে সবচেয়ে স্মরণীয় বছর। দেশকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে পেরেছি। এর চেয়ে বড় সন্তুষ্টি আর কিছুই নেই আমার জীবনে। ২০০৬ সালের ফ্রান্স দলটাও ছিল দুর্দান্ত। তবে ফাইনালের দুঃসহ স্মৃতি আর মনে করতে চাই না। আমাদের শুধু ফুটবলেই মনোযোগ দেয়া দরকার।’

কদিন আগেই ৩৪ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেছেন করিম বেনজেমা। ফরাসি স্ট্রাইকারের এ অর্জন হাল ছারা মানুষের জন্য বড় উদাহরণ বলে মনে করেন জিজু। বিশ্বকাপে এবার ফ্রান্সের জন্য কঠিন হবে বলেও মানছেন জিদান।

বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার বলেন, ‘বেনজেমা ৩৪ বছর বয়সে ব্যালন ডি অর জিতেছে। মাঝে কঠিন সময় গেছে তার ক্যারিয়ারে। কিন্তু সে হাল ছাড়েনি। এটা অন্যদের জন্য অনন্য উদাহরণ। বেনজেমার ফর্ম বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জন্য সহায়ক হবে। বিশ্ববকাপে ভালো করাটা কঠিন হবে। সেটা মাথায় রেখেই লড়াই করতে হবে সবাইকে।’

আরও পড়ুন: কোচ খুঁজছে বাফুফে, নিয়োগ কার্যক্রম শিগগিরই

বিশ্বকাপ ছাড়া ফরাসিদের ২০০০ সালে ইউরোর শিরোপা উপহার দিয়েছেন জিদান।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!