ঐতিহাসিক উচ্চতায় ফ্রান্সের মূল্যস্ফীতি
<![CDATA[
ফ্রান্সের মূল্যস্ফীতি অব্যাহতভাবে বাড়ছে। দেশটির খাদ্যের দাম এতটা বাড়বে, তা অর্থনীতিবিদরাও ধারণা করতে পারেননি। গত নভেম্বর মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি এক অপ্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছে গেছে।
বুধবার (৩০ নভেম্বর) দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চের (ইনসি) এক প্রতিবেদনের বরাতে এ কথা জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।
সরকারি এ পরিসংখ্যান অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে নভেম্বরে ভোগ্য পণ্যের দাম এক বছর আগের তুলনায় ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। এটি এতটা লাফিয়ে বাড়বে তা অর্থনীতিবিদরাও প্রত্যাশা করেন নি।
ফ্রান্সের ভোগ্যপণ্যের দাম ৭ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন ব্লুমবার্গের বিশ্লেষকরা। তবে বাস্তবিক তাদের ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
ইনসি এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাজা পণ্য বাদে খাদ্য ও উৎপাদিত পণ্যগুলোর দাম বেশি বেড়েছে। তবে ডিজেল ও পেট্রোলের দামে ফরাসি পরিবারগুলো স্বস্তি পেয়েছে।
আরও পড়ুন: জার্মানির কাছে রাশিয়ার গ্যাসের কোনো বিকল্প নেই!
এদিকে পরিষেবার মূল্য বছর ব্যবধানে ৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে এ বাড়ার হার অক্টোবর থেকে সামান্য কম। অক্টোবরে তা ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছিল।
এক পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ইনসি জানিয়েছে, নিত্যপণ্যের দাম ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়ছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে ফরাসি পরিবারগুলো তাদের খরচ কমাতে বাধ্য হচ্ছে। অক্টোবরে তুলনায় জ্বালানি, উৎপাদিত পণ্য এবং খাদ্য বাবদ খরচ কমিয়েছেন ফরাসিরা। সামগ্রিকভাবে পরিবারের ব্যয় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। ২০২১ সালের এপ্রিলের পর যা সর্বোচ্চ মাসিক পতন। এ হার ১ শতাংশ হওয়ার ধারণা করছিলেন ব্লুমবার্গের বিশ্লেষকরা।
গত মাসে ফরাসি অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লে মায়ার বলেছিলেন, ‘আমাদের এখন প্রধান কাজ হচ্ছে জ্বালানির দাম কমিয়ে আনা এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি সামাল দেয়া।’
এদিকে প্রতিবেদনটিতে ইনসি বলছে, ফ্রান্সের তুলনায় জার্মানি, স্পেন এবং বেলজিয়ামের মূল্যস্ফীতি ভালো পরিস্থিতি রয়েছে।
]]>




