কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা
<![CDATA[
পর্যটনশিল্পে প্রত্যাশিত পথে হাঁটতে পারেনি সৈকতের শহর কক্সবাজার। প্রতি বছরই কমছে বিদেশি পর্যটকের আগমন। গড়ে উঠেনি বিদেশি পর্যটকের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। যদিও জেলা প্রশাসকের দাবি, বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে কাজ করছে সরকার।
সম্প্রতি কক্সবাজারে এক বিদেশি পর্যটক ঘুরতে এসে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে একটি ভিডিও ধারণ করেন। যেখানে দেখা যায় সমুদ্রসৈকতের আশপাশের লোকজন ঘিরে আছে সেই পর্যটককে। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে দেশের পর্যটনশিল্পের অব্যবস্থাপনা নিয়ে।
সুনীল জলরাশি, আর প্রবাল পাথরের জলকেলি কিংবা উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড় নিয়ে এক অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি কক্সবাজার। সমুদ্রের কোলঘেঁষে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ, তার পাশে ঢেউয়ের সঙ্গে খেলা করে ডিঙি নৌকা। এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর এখানে আসেন লাখো পর্যটক। কিন্তু বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অন্যান্য দেশের পর্যটন স্পটগুলো যখন উন্নত থেকে উন্নতর হচ্ছে। সেখানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে অনেক পিছিয়ে। এ জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: চিরচেনা রূপে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত
পর্যটকদের দাবি, কক্সবাজারে নেই তেমন কোনো বিনোদনের ব্যবস্থা। দিনে সৈকতে সময় কাটালেও সন্ধ্যার পর হোটেলরুমে বসেই কাটাতে হয় অলস সময়।
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিন আল পারভেজ বলেন, রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের টেকনাফে বিদেশি পর্যটকদের জন্য তৈরি হচ্ছে আলাদা দৃষ্টিনন্দন জোন।
]]>




