করোনা শনাক্তের হার ১৫ ছাড়াল
<![CDATA[
দেশে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ১৫ ছাড়িয়েছে। এই সময়ে ৬২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ২০ হাজার ৭৬৮ জনে।
অপরদিকে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৪৭ জনে দাঁড়াল।
শুক্রাবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছিল। করোনা শনাক্ত হয় ৬৭৮ জনের।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৪৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ১৬৪ জন।
আরও পড়ুন: ওষুধ নয়, ৫ খাবারেই বাড়বে দৃষ্টিশক্তি!
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৪০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৪ হাজার ৩১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আগেরদিন শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।
গত কয়েকদিন ধরে দেশে আবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনার নতুন ঢেউ ঠেকাতে পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কমিটির এক বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।
ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে (৫৯তম বৈঠক) জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা ছাড়াও কমিটির অন্যান্য সদস্য অংশ নেন।
সভায় কমিটি সবক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা, হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ; এখনও যারা করোনার টিকার প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নেননি তাদের টিকা গ্রহণ; বদ্ধস্থানে সভা থেকে বিরত থাকাসহ দাফতরিক কাজ যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি সম্পাদন করা; অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভাসমূহে মাস্ক পরা এবং বেসরকারি পর্যায়ে করোনা পরীক্ষার ব্যয় কমানোর সুপারিশ করা হয়।
২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
]]>




