খেলা

কসবায় ৪০০ ঘরের চাবি পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ

<![CDATA[

দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মনকাশাইরে আশ্রয়ণ প্রকল্পটির ঘর হতদরিদ্র মানুষের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এক খণ্ড ভূমিসহ মাথা গুজার ঠাঁই পেয়ে আবেগাপ্লুত রিক্সা-ভ্যান চালক, বর্গাচাষী-কুলি-মুজুর খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। তাদের মুখে হঁসি ফুটিয়ে তোলার জন্যে তারা সরকার প্রধান শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সরেজমিনে দেশের বৃহৎ এই আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন কালে দেখা যায়, সারি সারি ভাবে তৈরিকরা ঘরগুলো। পাখির চোখে দেখে মনে হবে এ যেন লাল-সবুজের এক খন্ড বাংলাদেশ। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গৃহহীন দরিদ্র মানুষের জন্যে ঘরগুলোর টিনের চালা  লাল সবুজের জাতীয় পতাকার আদলে রাঙানো হয়েছে।

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার মনকাশাইরে চোখে পরবে এমন মনোরম চিত্র। মোট সাড়ে ১২ একর খাস জায়গার উপর ৪০৩টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৩০টি ঘর নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প।

সাম্প্রতিক সময়ে উপকারভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

এদিকে প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির মিল খুঁজে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত সাধারণ মানুষ। আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরের চাবি পেয়ে রিক্সা চালক মো. কাউছার মিয়া বলেন, আগে আমি কসবার একটি গ্রামে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতাম। এখন সরকার আমাদের এখানে একটি ঘর দিয়েছে। ঘরের কাগজ ও চাবি বুঝিয়ে দিয়েছে। আমি পরিবার নিয়ে এখন মহাখুশি। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়াকরি তিনি যেন দেশের মানুষকে সব সময় ভাল রাখেন।

আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের সাজা ‘তিরস্কার’

মাহমুদা বেগম নামে আরেক সুবিধাভোগী জানান, আমরা এতদিন অসহায় অবস্থায় ছিলাম। পরের জায়গায় থাকতাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিজের নামে ঘর দিছে। এখন থেকে আমরা নিজের জায়গায় থাকতে পারবো। আমরা খুবই খুশি।

কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ-উল-আলম বলেন, এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুবিধাভোগীরা ২ শতক জমি ও একটি সেমিপাকা ঘর পেয়েছেন। এখানে আমরা প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেছি। যারা এখানে বসবাস করবেন তাদের যেন পরবর্তীতে কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য বিদ্যালয়, খেলার মাঠ, মসজিদ, মন্দির এবং বাজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ভেতরে পাকা রাস্তা এবং উন্নত ড্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী যে চিন্তা করেছেন গ্রাম হবে শহর। এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সেজন্য এই প্রকল্পে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফলদ, ঔষধি এবং বনজ বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে সবুজ বনে রূপান্তর করা হবে।’

দুই শতাংশ জমির উপর তৈরি প্রতিটি ঘর নির্মানে ব্যায় হয়েছে ২লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!