কাতারে বিশ্বকাপ উপলক্ষে খুলে দেয়া হলো মিউজিয়াম
<![CDATA[
বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে প্রায় আঠারো মাস পর খুলে দেয়া হলো কাতারের ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামের দরজা।বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই জাদুঘরটিকে। আকর্ষণ বাড়াতে যেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তেরো’শ বছরের পুরোনো ইসলামিক সভ্যতার নিদর্শনসমূহ। রয়েছে ১১ হাজার প্রত্নতত্ত্ব।
কাতারের ঐতিহ্যবাহী মিউজিয়ামটিতে সোনালী হরফে লেখা রয়েছে ইসলামিক ইতিহাসের নানা কথা। খোদাই করা আছে অসংখ্য ইসলামিক সংস্কৃতির ঐতিহাসিক সব চিত্র। যা মূলত মরুভূমির দেশ কাতারের ঐতিহ্যকেই তুলে ধরে।
চলতি বছরের নভেম্বরে কাতারে বসতে যাচ্ছে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ ফিফা বিশ্বকাপ। আর সে আসরকে আরও রোমাঞ্চিত করতে রাখা হয়েছে নানা ধরনের ইসলামিক সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের প্রদর্শনী। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোর ঐতিহাসিক নিদর্শনকে মাথায় রেখে কাতারের ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপ /দুঃসংবাদ ফ্রান্সের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য
এদিকে প্রায় আঠারো মাস পর আবারো খুলে দেয়া হয়েছে ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামের দরজা। মুসলিম বিশ্বের ইসলামিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন রূপে চিত্রায়িত করা হচ্ছে এই জাদুঘরে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ১২ লাখ ফুটবল প্রেমীকে মরুভূমির দেশটির ঐতিহ্য সম্পর্কে জানাতেই এমন আয়োজন করেছে কাতার।
পুরো মিউজিয়ামটিতে রয়েছে ১১ হাজার প্রত্নতত্ত্ব, তেরো’শ দশকের তিনটি মহাদেশের ইসলামিক নিদর্শন ও বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামিক সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী চিত্রকর্ম। এ ছাড়াও রয়েছে কাতারের ইসলামিক সংস্কৃতি চর্চার নানা নিদর্শন। কাতারের ঐতিহাসিক এই আর্ট মিউজিয়ামটিকে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে নতুন আঙ্গিকে রূপ দেয়া হয়েছে। দোহার নতুন এবং পুরাতন রূপকেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই মিউজিয়ামের চিত্রকর্মের মাধ্যমে।
ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামের ডিরেক্টর জুলিয়া গন্নেল্লা বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মিউজিয়ামগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এই ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামটি। প্রায় আঠারো মাস বন্ধ থাকার পর আমরা আবারো মিউজিয়ামটি খুলতে সক্ষম হয়েছি। আমাকে বলতেই হবে, মিউজিয়ামটি অত্যাধুনিক স্থাপত্য ও নিদর্শনের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামিক ঐতিহ্যের চিত্রকর্মের মাধ্যমে কাতারের ইতিহাস তুলে ধরাই আমাদের মূল উদ্দেশ্যে। বিশ্বকাপে আগত দর্শকদের জন্য আমরা এই মিউজিয়ামটি নতুনভাবে সাজিয়ে তুলেছি।’
আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ /আয়োজক দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথমবার কাতার
ইসলামিক সংস্কৃতির সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যকে এই মিউজিয়ামের মাধ্যমে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
]]>




