কামরাঙ্গীরচরে জমি বিরোধে ভাতিজাকে খুন, আহত ২
<![CDATA[
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর কয়লার ঘাট এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুন্না (৩৬) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। তিনি চকবাজারের একটি শো পিসের দোকানে কাজ করেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মুন্নার অপর দুই ভাই। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (২ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তারা মসজিদ রোডের ‘জজ বাড়ি’তে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্নার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়।
আহত বাকি দুজন হলেন- মুন্নার ছোট ভাই প্রাইভেটকার চালক বাহাউদ্দিন সানজিদ (৩০) ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোরসালিন হোসেন (২৯)।
আহতদের বরাত দিয়ে তাদের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই মো. সঞ্জু আহমেদ জানান, আপন চাচা পলাশ আহমেদের সঙ্গে তাদের বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। তাদের বাড়ি পাশাপাশি। চাচা পলাশ সেখানে ভবন নির্মাণ করছেন। তবে ভবনের পাশে একটুও জায়গা খালি রাখেনি। এ নিয়ে আজ (রোববার) তারা ৩ ভাই চাচাকে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এতে তাদের ওপর চড়াও হন চাচা। এক পর্যায়ে চাচা পলাশ, চাচাতো ভাই পুলক (১৬), শামীম (২১) সহ আরও ৪-৫ জন ধারালো অস্ত্রো নিয়ে তাদের ওপর আক্রমণ করে। এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে তাদের।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ভাতিজার হাতে চাচা খুন
তিনি জানান, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন সেখানে মুন্না মারা যান।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন মুন্না মারা গেছেন। তার পেটের বাম পাশে ছুরিকাঘাত রয়েছে। এ ছাড়া সানজিদের মাথায়, পাজরে আর মোরসালিনের বুকে, হাতে ছুরিকাঘাত রয়েছে।
স্বজনরা জানান, তাদের বাবার নাম মৃত ইমরান আহমেদ। চাচা পলাশ আহমেদ ৬ বছর আগে এই ৩ ভাতিজাকে একটি মামলায় জেল খাটান। সেই মামলায় পরবর্তীতে তারা জামিনে বের হন।
]]>




