কালীগঙ্গার ভাঙনে দিশেহারা নদীপারের মানুষ
<![CDATA[
মানিকগঞ্জের ইছামতী ও ধলেশ্বরী নদীর পর এবার ভাঙন শুরু হয়েছে কালীগঙ্গায়। সহায়সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন নদীপারের মানুষ। দিন কাটছে আতঙ্কে। ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েও মেলেনি সমাধান।
চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে একের পর এক ফসলি জমি, সড়ক ও বসতভিটা। এতে শেষ সহায়সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতীরবর্তী মানুষ।
ভাঙনের মাত্রা বেশি হওয়ায় আতঙ্কে পার মস্তল, চর মস্তল, বিষ্ণুপুর খাঁ পাড়ার বাসিন্দারা। গত দুই সপ্তাহের ভাঙনে হুমকির মুখে কবরস্থান, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাটসহ নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। এতে আতঙ্কে দিন পার করছেন নদীপারের বাসিন্দারা। তারা বলেন,জায়গা-জমি যা ছিল, সব নদীতে চলে গেছে। একদিকে ভাঙে আরেকদিকে গিয়ে বাড়ি করি। সেটাও নদী নিয়ে যায়। আমাদের অবস্থা খুব খারাপ। একদিনে ৮০টা বাড়ি নদীতে চলে গেছে। বিষয়টি দেখার কেউ নেই?
আরও পড়ুন: পানির স্রোতে ভেঙে গেল ইছামতী নদীর কুস্তা বেইলি ব্রিজ
ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধির। খলসী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের জায়গা, জমি, বাড়ি ভেঙে চলে যাচ্ছে। তাতে অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
মানিকগঞ্জের ইছামতী, ধলেশ্বরী ও কালীগঙ্গা নদীর ভাঙনে গত পনেরো দিনে ৮০টি বসতভিটা ও ৩০ হেক্টর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
]]>



