কোহলির ফিল্ডিং প্রতারণা নিয়ে সরব অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমও
<![CDATA[
ভারত-বাংলাদশ ম্যাচ শেষ, তবে এখনও কাটেনি এর রেশ। বৃষ্টি আইনে ৫ রানে হেরে যাওয়ার ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ‘ফেক ফিল্ডিং’ করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বিরাট কোহলি। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতের পর কোহলির ফিল্ডিং প্রতারণা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমও।
অ্যাডিলেডে বুধবার (০২ নভেম্বর) বৃষ্টি আইনে ১৬ ওভারে ভারতের দেয়া ১৫১ রান তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৪৫ রানে। এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ করে ভারত।
তবে আম্পায়াররা যদি ম্যাচে কোহলির ‘ফেক ফিল্ডিং’ আমলে নিতেন তাহলে ভারতকে ৫ রান জরিমানা করা হতো। আর তাতে ৫ রানে হয়তো ম্যাচ হারতে হতো না টাইগারদের। তবে মাঠে নাজমুল হোসেন শান্ত আবেদন করলেও, আম্পায়াররা বিষয়টি উড়িয়ে দেন। ম্যাচশেষে কোহলির সে ‘ফেক ফিল্ডি ‘ নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান।
আরও পড়ুন: ফেক ফিল্ডিং ও ভেজা মাঠের অজুহাত খুঁজতে মানা করছেন ভোগলে
বাংলাদেশের ইনিংসের সপ্তম ওভারে অক্ষর প্যাটেলের দ্বিতীয় বলটি থার্ডম্যান অঞ্চলে পাঠিয়ে দুই রানের জন্য দৌড়ান লিটন কুমার দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। থার্ডম্যান অঞ্চল থেকে ওই বলটি উইকেটকিপারের দিকে থ্রু করেন আর্শদীপ সিং। ওই বল না ধরেই ছায়া ফিল্ডিং করেন বিরাট কোহলি, যা ক্রিকেটের নিয়মবিরুদ্ধ।
এ বিষয়টি নাকি তৎক্ষণাৎ আম্পায়ারদের অবহিতও করেন ক্রিজে থাকা শান্ত। কিন্তু আম্পায়াররা জানান, সেটি তাদের নজরে পড়েনি। তৃতীয় আম্পায়ারও আপত্তি করেননি। তবে নজরে এলে এবং সত্যিকার অর্থে ফেক ফিল্ডিং হয়ে থাকলে পাঁচ রান পেত বাংলাদেশ। যেখানে পরে বৃষ্টি আইনে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও একই ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।
আইসিসির ৪১ দশমিক ৫ ধারা অনুযায়ী ব্যাটারকে কোনোভাবে বাধা দিলে বা বিক্ষিপ্ত করার চেষ্টা করলে আম্পায়াররা বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান শাস্তি হিসেবে দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করেছেন দুই আম্পায়ার।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকার হারে সেমির সম্ভাবনা আরও বাড়ল বাংলাদেশের
কোহলির সেই ফিল্ডিং প্রতারণা নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ছাড়াও সংবাদ প্রকাশ করেছে, পাকিস্তান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম। ভারতীয় দৈনিক আনন্দবাজারের শিরোনাম ছিল: বিরাট প্রতারণা, কোহলির বিরুদ্ধে ভুয়া ফিল্ডিংয়ের অভিযোগ। এছাড়া হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভি, জি নিউজ, ক্রিকট্র্যাকারসহ দেশটির প্রায় সব গণমাধ্যমেই ঠাঁই করে নিয়েছে এ খবর।
এদিকে আয়োজক দেশ অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যমেও উঠে এসেছে বিষয়টি। বিরাট কোহলির ‘ফেক ফিল্ডিংয়ের’ ওই ভিডিও প্রকাশ করে সংবাদ প্রকাশ করেছে দেশটির দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড, দ্য নিউ অ্যাজ, নাইন স্পোর্টসসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম। সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রশ্ন তুলেছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের প্রতারণামূলক জয়ে ‘ফেক ফিল্ডিং’ এর জন্য বিরাট কোহলির কি শাস্তি হওয়া উচিত ছিল না? এমন একটি প্রতারণা আম্পায়ারদের নজর এড়িয়ে গেল কীভাবে?
]]>




