‘খাবার আছে কিন্তু টাকা নেই’
<![CDATA[
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার বলেছেন, আমাদের পর্যাপ্ত খাবার আছে কিন্তু টাকা নেই। আরবান এরিয়ায় বা শহরে মানুষ যতটা স্বাভাবিকভাবে খাবার কিনতে পারে, রুরাল এরিয়া বা গ্রামে মানুষ সেটা কিনতে পারে না।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২২’ উদ্যাপন অনুষ্ঠানের কারিগরি সেশনে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
এ সময় দেবাশীষ সরকার বলেন, খাদ্য উৎপাদনের জন্য আমাদের আবাদি জমি খালি না রেখে চাষ শুরু করতে হবে। তাহলেই অর্থনৈতিক সংকটকে অনেকাংশেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা মাছ-মাংস কিনে খেতে পারেন না, তাদের জন্য প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডাল অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য। ডাল গরিবের একমাত্র প্রোটিন। ডালকে ভর্তা, ঘন ও হালকা করে খাওয়া যায়। ডালের মতো আলুকেও নানাভাবে আমরা খাবারে রূপান্তর করতে পারি। এমনকি আলুকে যদি আমরা বিশ্ববাজারে রফতানি করতে পারি, তাহলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। যদিও মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ছাড়া নিরাপদ খাদ্য সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন: ব্রুনাই হালাল ফুডের আউটলেট উদ্বোধন ঢাকায়
চর, হাওড় এরিয়াসহ ৬টি হট স্পটের জমি কাজে লাগিয়ে ৯১ ভাগ জমি ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করা যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু উৎপাদন করলেই হবে না আমাদের খাদ্য সংরক্ষণও করতে হবে। আমাদের প্রচুর খাবার নষ্ট হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের বছরে ১ কোটি টন খাবার নষ্ট হচ্ছে। এর মধ্যে ৬৫ কেজি খাবার একজন মানুষ নষ্ট করে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষ আসতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এখনই আমাদের আবাদি জমি চাষের দিকে অধিক মনোযোগী হতে হবে।
এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন এনডিসি।
]]>




