চীনের মাইক্রো চিপ রফতানি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাশিয়া!
<![CDATA[
চীন সে দেশে উৎপাদিত কিছু মাইক্রো-চিপ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ফলে সেসব মাইক্রো চিপগুলো আর আন্তর্জাতিক বাজারে পাওয়া যাবে না। সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে রফতানি নিষেধাজ্ঞার এই তালিকায় রাশিয়াও রয়েছে!
রাশিয়ার প্রখ্যাত ব্যবসাভিত্তিক গণমাধ্যম কমার্স্যান্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনের এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক দেশের ক্ষেত্রেই ইন্টেলের মতো বড় কোম্পানির চিপ ব্যবহারের ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশগুলো এতে বেশ বিপাকে পড়তে পারে।
বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় কম্পিউটার শিল্পকে শক্তিশালী করতে ২০২১ সালের এপ্রিলে লুংসন টেকনোলজির মাধ্যমে ‘লুংআর্চ’ চিপ নির্মাণ চালু করেছিল চীন। নতুন আর্কিটেকচার ব্যবহার করে একই বছরে সিপিইউ সিরিজটির উৎপাদন শুরু হয়।
কমার্স্যান্ট প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় চীন সরকার অন্যান্য দেশে লুংআর্চভিত্তিক সিপিইউ রফতানি নিষিদ্ধ করেছে। তবে পত্রিকাটি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, চীনের সেরা চিপসেটগুলো সামরিক-শিল্পে ব্যবহৃত হয়, ফলে সাধারণত সেগুলো বিদেশে সেগুলো রফতানি করা হয় না।
আরও পড়ুন : চীনের সঙ্গে ন্যাটোর দ্বন্দ্বে জড়ানো উচিত নয় কেন?
এদিকে, রাশিয়ার একটি শিল্পগোষ্ঠী এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছে। সে কারণে চীন রাশিয়ার ওপরও কৌশলগত এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কি না সেটি স্পষ্ট নয়।
রাশিয়ান-এশীয় শিল্প ও উদ্যোক্তাদের ইউনিয়নের প্রধান ভিটালি মানকেভিচ কমার্স্যান্টকে বলেছেন, যতদূর জানি, লুংসন প্রসেসরের রফতানি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। তবে যদি এমনটা হয়, মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে এই জাতীয় পণ্যগুলো কেনার জন্য অনেক উপায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইউক্রেন সংকটের কারণে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকান প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেমিকন্ডাক্টরের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য সচিব জিনা রাইমন্ডো গত জুনে দাবি করেছিলেন, এসব নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ায় চিপ নির্মাণ কোম্পানিগুলোর রফতানি প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
সূত্র: আরটি ডটকম।
]]>




