বিনোদন

জার্মানির কাছে রাশিয়ার গ্যাসের কোনো বিকল্প নেই!

<![CDATA[

কাতারের সঙ্গে নতুন একটি এলএনজি (প্রাকৃতিক তরলীকৃত গ্যাস) চুক্তি করেছে জার্মানি। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প নেই বার্লিনের কাছে। কাতারের থেকে কেনা এ গ্যাস ইউরোপীয় এ দেশটির জন্য যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন জ্বালানিবিষয়ক বুন্ডেস্ট্যাগ কমিটির চেয়ারম্যান ক্লাউস আর্নস্ট।

রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম আরটির প্রকাশিত প্রতিবেদনসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি কাতারের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি এনার্জি চুক্তির ঘোষণা দেয় বার্লিন। এর অধীন উপসাগরীয় দেশটি ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে প্রতিবছর দুই মিলিয়ন টন এলএনজি জার্মানিতে সরবরাহ করবে।চুক্তিটি কমপক্ষে ১৫ বছর মেয়াদি হবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ক্লাউস আর্নস্ট বলেন, যদিও কাতারের সঙ্গে একটি এলএনজি সরবরাহে চুক্তি করা হয়েছে, এর পরও জার্মানির কাছে এখনও রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্পূর্ণ বিকল্প নেই।

বাম দলের এ রাজনীতিবিদ এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘ফেডারেল সরকার কাতারের সঙ্গে তার এলএনজি চুক্তি ফলাও করে দেখাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এই দুই মিলিয়ন টন এলএনজি জার্মানির মোট গ্যাস ব্যবহারের ৩ শতাংশ। এখনও রাশিয়ার গ্যাসের কোনো বাস্তব বিকল্প নেই।’

আরও পড়ুন: রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প ‘খুঁজে পেয়েছে’ ইউরোপ

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, কাতারের সঙ্গে এ চুক্তির আওতায় যে পরিমাণ গ্যাস আমদানি করা হচ্ছে, তা ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে জার্মানির আমদানি করা মোট গ্যাসের প্রায় ৬ শতাংশের সমান।

এ গ্যাস কাতারে কনোকোফিলিপসের যৌথ উদ্যোগ থেকে আসবে। আর ভাসমাস ব্রান্সবাটেল ইমপোর্ট টার্মিনালের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে। এটি বর্তমানে নির্মাণাধীন।

ব্লুমবার্গের তথ্য বলছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছর ৫টি চালানে এ গ্যাস আমদানি করতে জার্মান সরকারকে সব মিলিয়ে ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার গুনতে হবে।

এ ছাড়াও বেসরকারিভাবে একটি চার্টার্ড টার্মিনাল করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি একবার চালু হলে, জার্মানির বর্তমান গ্যাস চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করে জার্মান সরকার।

ইউরোপের ‍বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানি তাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রাশিয়ার গ্যাসের ওপর তাদের নির্ভরতা প্রতিস্থাপন করায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!