জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা রক্ষা জরুরী: গুতেরেস
<![CDATA[
জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা রক্ষা এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সমস্যার দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার(১২ জানুয়ারি) তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আরব গ্রুপের বর্ধিত ট্রোইকার স্থায়ী প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
এ সময় গুতেরেস বলেন, ‘আমি আবারও উল্লেখ করছি যে আমাদের অবশ্যই জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে। দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এমন কোনো উদ্যোগ এড়িয়ে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান ব্যবস্থা রক্ষা করা অপরিহার্য।’
গুতেরেস বলেন, ‘জাতিসংঘ, ইসরায়েলের অস্তিত্ব এবং নিরাপত্তায় বসবাসের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। একই ভাবে বসতি নির্মাণ, উচ্ছেদ, বাড়িঘর ধ্বংস শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যেই নয়, অন্যদের মধ্যেও বিশাল ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।’
দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গুতেরেস বলেছিলেন, ‘আমি যা বিশ্বাস করি তা হল এ ক্ষেত্রে কোনও বিকল্প নেই। দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের সম্ভাবনাকে প্রত্যাখ্যান করা চিরকালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সম্ভাবনাকে ক্ষুন্ন করবে।’
ডিসেম্বরে, গুতেরেস বলেছিলেন জাতিসংঘ ‘দুটি রাষ্ট্র ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন – উভয় রাষ্ট্রের রাজধানী জেরুজালেমসহ শান্তি ও নিরাপত্তার পাশাপাশি বসবাসের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে আমাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল।’
আরও পড়ুন: ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আরও ৩ ফিলিস্তিনি নিহত
গত সপ্তাহে, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির পূর্ব জেরুজালেমের ফ্ল্যাশপয়েন্ট পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছেন। ফিলিস্তিনি পক্ষ এ ঘটনাকে উস্কানি হিসাবে নিন্দা জানিয়েছে। ইহুদিদের কাছে টেম্পল মাউন্ট নামে পরিচিত এই প্রাঙ্গণটি মুসলিম ও ইহুদি উভয়ের কাছেই পবিত্র।
ফিলিস্তিনিরা ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল কর্তৃক দখলকৃত পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা এবং পূর্ব জেরুজালেম নিয়ে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ইসরায়েল জোর দিয়ে বলছে যে শহরটি তাদের রাজধানী।
]]>




