জেলা বিএনপির সদস্যসচিবসহ ১০ জনের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর
<![CDATA[
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতন এবং সাবেক যুবদলের মুন্সীগঞ্জ সভাপতি সুলতান আহমেদসহ ১০ জনকে ২ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২১ নভেম্বর) মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-১-এ পুলিশ ১০ জনকে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-১-এর বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী কামরুল ইসলাম ১০ জনকে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মুন্সীগঞ্জ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, শাওন হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ১০ জনের সাত দিন করে রিমান্ড চায় পুলিশ। পরে আদালত ১০ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশ বাদী হয়ে করা এ মামলায় ৩১৩ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি আগে বিস্ফোরক আইনে করা হলেও পরে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে।
এর আগে মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গত ৯ নভেম্বর দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতনসহ নয়জনকে কারাগারে পাঠান আদালত। পরে ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করে এই রিমান্ড আবেদন করলে ১০ জনকে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৪
গত ২১ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে সদর উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ শহর ও মিরকাদিম পৌর বিএনপি যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ-সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। এ ঘটনার পরদিন মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় দুটি মামলা হয়। এর মধ্যে একটি মামলার বাদী সদর থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন ও অপর মামলার বাদী পঞ্চসার ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য আব্দুল মালেক।
এর মধ্যে পুলিশের করা মামলাটি পরে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। ওই মামলায় সোমবার কামরুজ্জামান রতনসহ ১০ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
]]>




