ঠাকুরগাঁওয়ে সার সংকটে ক্ষুব্ধ কৃষক
<![CDATA[
চলতি আমন মৌসুমের শুরু থেকেই ঠাকুরগাঁওয়ে দেখা দিয়েছে রাসায়নিক সার সংকট। বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুযায়ী সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ জেলার কৃষকরা।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে ঠাকুরগাঁও ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি সার বিক্রয় কেন্দ্রে ভিড়। সারের জন্য ডিলারদের কাছে হুমড়ি খেতে দেখা গেলেও কাটছে না সংকট। কৃত্রিম সংকটের কবলে পড়ে কৃষকরা ডিলারের কাছে ও দোকানে দোকানে ধরনা দিয়ে চরম ভোগান্তি শিকার হচ্ছেন।
বর্তমানে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি সার পাওয়া গেলেও এমওপি সার সংকটে পড়ে দিশেহারা কৃষক। উপায় না পেয়ে বেশি দামেই সার কিনতে হচ্ছে তাদের। এমন অবস্থায় অনেক খুচরা ব্যবসায়ী খোলা বাজারে সার বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।
কৃষকরা সময় মতো সার না পাওয়ায় চলমান আমন উৎপাদন ব্যাহতের পাশাপাশি শীতকালীন আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিমসহ আগাম সবজি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এদিকে বেড়েছে উৎপাদন খরচও। এমন অবস্থায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাজারে সার বিক্রির ব্যবস্থার দাবি কৃষকের।
আরও পড়ুন: আগাম শিম-ফুলকপি চাষ, ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষক
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, প্রশাসন বলছেন সারের সংকট নেই। কিন্তু আগের মত সব সময় সার পাওয়া যায় না বাজারে। তারা মনে করেন খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিলে সংকট থাকবে না। ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে অনেক ক্ষেত্রেই বেশি দামে সার বিক্রি করছেন বলে তাদের অভিযোগ, যা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে, ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. আব্দুল আজিজ জানান, অন্যান্য সারের সংকট নেই। তবে পটাশ সার সরবরাহে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান প্রয়োজন অনুযায়ী সার কেনার তাগিদ দিয়ে সারের কোনো রকম সংকট নেই বলে জানান।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের পাশাপাশি ৩৫ হাজার ২৯ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
]]>




