ঠান্ডায় বিপর্যস্ত উত্তরের জনপদ, শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে বৃষ্টির শঙ্কা
<![CDATA[
মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে মঙ্গলবারও বিপর্যস্ত উত্তরের জনপদ। হিমালয় ঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ে সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য উঁকি দিলেও এ অঞ্চলে কমেনি শীতের দাপট। এদিকে, ঠান্ডাজনিত বাড়তি রোগীর কারণে হাসপাতালগুলোতে হিমশিম অবস্থা।
পৌষের শেষে শীতের দাপটে জুবুথুবু উত্তরের জনপদ। ঘন কুয়াশায় মোড়ানো পথঘাট। দিনদিন কমছে তাপমাত্রা। বইছে মাঝারি থেকে মৃদু শৈতপ্রবাহ।
হিমালয়ের পাদদেশের জেলা পঞ্চগড়ে মঙ্গলবার আরও কমেছে তাপমাত্রা। এখানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঠেকেছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। প্রতিদিনই মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত হিম বাতাসের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। তবে বেলা বাড়ার পর দেখা মেলে সূর্যের। কিন্তু তাতেও কমেনি শীতের তীব্রতা।
আরও পড়ুন: তাপমাত্রা বেড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস
অনেকটা একই চিত্র নীলফামারীতেও। ঠান্ডায় বিপর্যস্ত খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। হিমশিম অবস্থা জেলার হাসপাতালগুলোতেও। ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপে জেলার সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালসহ উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া ঠান্ডাজনিত শিশু রোগীর সংখ্যা। সদর হাসপাতালে শয্যা সংকটে মেঝেতে দেয়া হচ্ছে চিকিৎসা।
লালমনিরহাট উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বলেন, শীতকালে শুধু ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও শিশুদের নিউমোনিয়া বেশি হয়। এটা থেকে মুক্ত থাকতে হলে ধুলাবালি থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
গত এক সপ্তাহে জেঁকে বসা শীতে কিছুটা উষ্ণতা বেড়েছে রাজশাহীতে। প্রতিদিনই সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন শীতজনিত শতাধিক রোগী। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন: দুই দফা মুক্তিপণের পর ট্যাংকির ভেতর মিলল শিশুর লাশ
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, আগামী শুক্র-রোববার বৃষ্টির আশঙ্কা আছে। সেইসঙ্গে মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এদিকে, উত্তরের আরেক জেলা কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কমেছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। এতে দিনের বেলায় শীত কম অনুভূত হলেও রাতে বাড়ে শীতের দাপট।
]]>




