ডুবুরি সংকটে সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস
<![CDATA[
সুনামগঞ্জে আড়াইশ কিলোমিটার নৌপথের জন্য ডুবুরি আছে মাত্র দুজন। ফলে হাওড় ও নদী বেষ্টিত এ অঞ্চলে নৌদুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে পানিতে নিখোঁজ হন এলাকার অনেক জেলে। পানিতে ডুবে মারা যাওয়া এসব মানুষের মরদেহ ডুবুরির অভাবে প্রায়ই খুঁজে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানিতে ডুবে মারা গেলে অনেক সময় আর খুঁজে পাওয়া যায় না। বিভিন্ন নৌদুর্ঘটায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজার জন্য সনাতনী পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয় তাদের। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে যেমন বেশি সময় লাগে, তেমনি অনেক সময় মরদেহও খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই ধার করা দুজন ডুবুরি দিয়ে চলা ফায়ার সার্ভিসে পূর্ণাঙ্গ ডুবুরি ইউনিট স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ঘুমন্ত মেয়েকে হত্যা, আটক মা
হাওড় বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক বিজয় সেন রায় জানান, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে সুনামগঞ্জে ডুবুরি ইউনিটের বেশি প্রয়োজন। কারণ, এটি একটি হাওড় ও নদীবহুল জেলা।
ডুবুরি সংকটের বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি উল্লেখ করে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, ডুবুরির সংখ্যা অবশ্যই বেশি দরকার। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট জায়গায় জানানো হবে বলেও সময় সংবাদকে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: নিখোঁজ যুবককে উদ্ধারে গিয়ে ডুবুরির মৃত্যু
ফায়ার সার্ভিস, থানা ও জেলা বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় ২০২২ সালে ১৪৬ জন পানিতে ডুবে মারা যান। অপরদিকে নিখোঁজ আটজনের মরদেহ আজও উদ্ধার করা যায়নি।
]]>




