খেলা

ঢাকা দক্ষিণে ভেঙে পড়েছে শতাধিক গাছ, যান চলাচল বিঘ্নিত

<![CDATA[

ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’-এর প্রভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় শতাধিক গাছ ভেঙে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। টানা বৃষ্টিতে পানি জমে কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। অধিকাংশ স্থানেই স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিটি করপোরেশন সড়ক থেকে ভেঙে পড়া গাছ সরিয়ে নিয়েছে। তবে এখনো যান চলাচল বিঘ্নিত রয়েছে বেশ কিছু সড়কে।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অঞ্চল-১-এর ধানমন্ডি ৩ ও ১০, আইইবি, মৎস্য ভবন, টিএসসি, সার্কিট হাউস রোড এলাকায় ১০টি, অঞ্চল-২-এর শান্তিনগর, চানমারি মোড় ও আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ৪টি, অঞ্চল-৩-এর নিলক্ষেত, বুয়েটের অভ্যন্তরে, বকশীবাজার বশিরউদ্দিন পার্ক ও আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ৪টি এবং অঞ্চল-৫-এর মানিকনগর ভূতেরবাড়ি রেস্টুরেন্ট, সায়েদাবাদ ওয়ান্ডার ল্যান্ড পার্ক ও দয়াগঞ্জ এলাকায় ৪টি বড় গাছ ভেঙে পড়েছে।

এ ছাড়াও অঞ্চল-১-এ ২৪টি, অঞ্চল-২ ও ৬-এ ৪০টি, অঞ্চল-৪ ও ১০-এ ৬/৭টি, অঞ্চল-৫, ৭, ৯ এলাকার জুরাইন কবরস্থানে ৬টিসহ কমবেশি ১৫টি মাঝারি ও ছোট আকারের গাছ ভেঙে ও উপড়ে পড়েছে। ৪-৫টি বড় গাছ বাদে এরই মধ্যে প্রায় সব গাছ সরানো হয়েছে।

ধানমন্ডি-৩ এলাকায় ভেঙে পড়া ২টি বড় গাছ কাটা ও সরানোর জন্য ডিএসসিসি থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মোহাম্মদপুর অফিসকে সহযোগিতার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও এখনো কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে করপোরেশন সেখান থেকে একটি বড় গাছ সরিয়ে ফেলেছে। বাকি আরেকটি গাছ সরানোর জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা উত্তরে ভেঙে পড়া ২ শতাধিক গাছ অপসারণ

এদিকে গ্রিন রোড, নবীনবাগ তিতাস রোড, মুগদা মেডিকেলের সামনে ও মুগদা প্রধান সড়ক, শাহজাহানপুর বেনজির বাগান এলাকা, শহীদবাগ, পল্টন ভিআইপি রোড, আইজি প্রিজন রোড, জয়নব রোড, সুরিটোলা স্কুল, সিক্কাটুলি পার্ক, বংশাল, কমলাপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা, শ্যামপুর, রাজারবাগ গ্রিন লাইন কাউন্টার সংলগ্ন এলাকাসহ ১৮-১৯টি স্পটে জলজট সৃষ্টি হলেও বৃষ্টি থামার পর সেসব এলাকা থেকে পানি সরে যায়।

তবে গ্রিন রোডের জলজট নিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিল আউটলেট খুলে দিতে বারবার অনুরোধ করা হলেও রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এক ঘণ্টা বিলম্বে গেট খোলেন। ফলে এরই মধ্যে পতিত বৃষ্টির পানি সেখানে জলজট সৃষ্টি করে। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কিছুটা ভোগান্তি হলেও বৃষ্টি থামার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পানি সরে যায় বলে জানান তিনি।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!