তোয়াব খান, এক কিংবদন্তি সাংবাদিকের জীবনাবসান: তথ্যমন্ত্রী
<![CDATA[
দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক, বঙ্গবন্ধুর প্রেস সচিব, একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেছেন, ‘তোয়াব খানের মৃত্যু এক কিংবদন্তি সাংবাদিকের জীবনাবসান, যিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সাংবাদিকতায় নিয়োজিত থেকেছেন।’
শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৭ বছর বয়সে মারা যান তিনি।
প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা ও তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুুন: তোয়াব খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
তথ্যমন্ত্রী তার শোকবার্তায় বলেন, ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে সাংবাদিকতায় যুক্ত হওয়া তোয়াব খান মৃত্যুকাল পর্যন্ত প্রায় সাত দশক ধরে দেশের সাংবাদিকতায় যে অনন্য অবদান রেখেছেন তা নজীরবিহীন।
তোয়াব খানের স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পর দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতার প্রেস সচিবও ছিলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধান তথ্য অফিসার ও প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন তোয়াব খান। মুক্তিযুদ্ধকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত তার ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ অনুষ্ঠান ছিল মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা। তিনি চলে গেছেন কিন্তু দেশের মানুষ তাকে কখনও ভুলবে না।’
১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার রসুলপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন তোয়াব খান। সাংবাদিক হিসেবে সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবন তার।
]]>




