খেলা

থাইল্যান্ডে মিলল মিয়ানমারের জান্তা প্রধানের সন্তানদের সম্পদ

<![CDATA[

মাদক ও অর্থ পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর ব্যাংকক অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানের সময় দেশটির জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের ছেলে-মেয়ের নামে থাকা সম্পদের নথি খুঁজে পেয়েছেন থাই কর্মকর্তারা। থাইল্যান্ডের সরকারি নথি ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তির বরাতে বুধবার (১১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষদিকে তু মিন লাতকে গ্রেফতারের সময় তার ব্যাংককের বাড়ি থেকে মিন অং হ্লাইংয়ের মেয়ে ও ছেলের নামে থাকা সম্পত্তির দলিল ও ব্যাংকের নথি মিলেছে, জানিয়েছেন তারা। ৫৩ বছর বয়সী লাতের সঙ্গে আরও তিন থাই নাগরিককে মাদক পাচারের ষড়যন্ত্র ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হোটেল, জ্বালানি ও খনি ব্যবসায়ী তু মিন লাত সু চিকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসা মিন অং হ্লাইংয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় সব মালামাল তিনিই সরবরাহ করেন। তবে তাদের তেমন একসঙ্গে দেখা যায় না। এমনকি তাদের একসঙ্গে কোনো ছবিও নেই। ২০১৯ সালে একটি অস্ত্র মেলায় তাদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল।

তু মিন লাত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং এবিষয়ে মন্তব্যের জন্য তার আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যার নতুন অভিযোগ

মাদকবিরোধী ওই অভিযানে সম্পদের নথি মিললেও হ্লাইংয়ের দুই সন্তানের বিরুদ্ধে থাই কর্তৃপক্ষ কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানিয়েছেন দুই ব্যক্তি। থাই কর্তৃপক্ষ লাতের বিরুদ্ধে তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতাকে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচনাও করেনি।

জান্তাপ্রধানের ছেলে অং পায়ে সোনে ও মেয়ে খিন থিরি থেট মন তাদের বাবার মতোই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নিষেধাজ্ঞায় আছেন। থাইল্যান্ডকাণ্ডে রয়টার্স মন্তব্য চাইলেও তাদের দিক থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: মিয়ানমার ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টায় ১২ শিশুসহ ১১২ রোহিঙ্গার কারাদণ্ড

এদিকে জাস্টিস ফর মিয়ানমার অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপের একজন মুখপাত্র বলেছেন, দলিল উদ্ধার এটিই ইঙ্গিত দেয় যে মিন অং হ্লাইং-এর পরিবার থাইল্যান্ডে সম্পদ লুকিয়ে রেখেছিল। তিনি থাই সরকারকে জান্তা প্রধান এবং এর সদস্যদের থাই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং মিয়ানমারের জনগণের সম্পত্তি চুরি করা থেকে আটকানো জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!