দক্ষিণ কোরিয়ায় বিধ্বংসী টাইফুনে প্রাণহানি, নিখোঁজ ৯
<![CDATA[
দক্ষিণ কোরিয়ার উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের পোহাংসহ জেজু দ্বীপে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে টাইফুন ‘হিন্নামনর’। এতে এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু এবং ৯ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নিখোঁজ ব্যক্তিরা একটি অ্যাপার্টমেন্টের নিচ তলায় ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে তাদের গাড়ি আনতে যান। টাইফুনের প্রভাবে তখনই আকস্মিকভাবে সেখানে পানি প্রবেশ করে এবং পার্কিং এলাকা তলিয়ে যায়। তাদের উদ্ধারে কাজ চলছে। নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত জেজুতে ৬০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। টাইফুনের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ৯৬৫ হেক্টোপাস্কেল পৌঁছেছে, যার সর্বোচ্চ বাতাসের গতি ছিল প্রতি সেকেন্ডে ৩৭ মিটার। আর এর প্রভাবে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমিসহ অনেক ঘরবাড়ি।
আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে সবচেয়ে বিধ্বংসী টাইফুন ‘হিন্নামনর’
শক্তিশালী এ টাইফুনের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে। সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল স্কুল-কলেজ। কোরিয়া বিমানবন্দরে ২৫০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ১১টি লাইনে ৩৫০টিরও বেশি ট্রেন বন্ধ রাখা হয়।
টাইফুনের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে দক্ষিণ গিয়াংসাং প্রদেশের ২ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়েছে। এছাড়া দক্ষিণ জিওল্লা এবং বুসানের শত শত পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সুপার টাইফুনটি জেজু দ্বীপ অতিক্রম করেছে। টাইফুনটি চলে যাওয়ার পর উপকূলীয় কিছু এলাকা ছাড়া বেশিরভাগ অঞ্চলে টাইফুনের সতর্কতা প্রত্যাহার করেছে দেশটির সরকার।
]]>




