দেশের প্রথম এলিভেটেড রেল স্টেশনের কাজ চলছে জোরেশোরে
<![CDATA[
দেশের প্রথম এলিভেটেড রেল স্টেশন নির্মাণ হচ্ছে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জের ঘোষকান্দিতে। পদ্মা সেতুর রেল লিঙ্ক প্রকল্পের এ স্টেশনে রয়েছে চারটি লুপ লাইন। এ স্টেশনের ইন্টার সেকশনের মাধ্যমেই যশোর থেকে আসা ট্রেন সহজে রাজধানীতে প্রবেশ করার পাশাপাশি পদ্মা সেতু হয়ে ট্রেন ছুটে যাবে দক্ষিণাঞ্চলে। এরইমধ্যে স্টেশনের ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেরাণীগঞ্জ এলাকায় এলিভেটেড রেল স্টেশন নির্মাণে চলছে ভীষণ রকম ব্যস্ততা। রেল লাইন স্থাপনে কংক্রিটের স্প্যানের উপরে চলছে মেঝে প্রস্তুতের কাজ। তৈরি হচ্ছে রেল পার্কিং ইয়ার্ড ও দু’পাশের নিরাপত্তা বেষ্টনী রেলিং।
এছাড়া এলিভেটেড এ স্টেশনে থাকবে চারটি লুপ লাইন। যা ব্যবহার করে দ্রুতগতির ট্রেন রাজধানীতে প্রবেশ ও পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাবে। একই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের স্টেশন বিল্ডিং, গ্যাংহার্ড ও ডরমেটরি।
রাজধানীর কমলাপুর থেকে গ্যাণ্ডারিয়া জংশন অতিক্রম করে পাগলা ওয়াসার পয়ঃশোধনাগার পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ধলেশ্বরী সেতু পার হয়ে কুচিয়ামোড়া পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার জুড়ে এলিভেটেড রেল লাইনের সঙ্গে লেভেল ঠিক রাখতে স্টেশনটিও এলিভেটেড করা হয়েছে। ফলে স্টেশনের উচ্চতা মাটি থেকে প্রায় ১৮ ফুট ওপরে। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটারে পদ্মা সেতু রেল লিঙ্ক প্রকল্পে রয়েছে ২০টি স্টেশন। এরমধ্যে একটি মাত্র এলিভেটেড স্টেশন।
আরও পড়ুন:দীর্ঘশ্বাস থেকে মুক্তির পথ দেখাচ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
রেল লিঙ্ক প্রকৌশলী সালমান রহমান বলেন, স্টেশনটিতে আধুনিকমানের যাত্রীসেবা নিশ্চিত থাকবে। এটি হবে বিশ্বমানের এলিভেটেড স্টেশন। স্টেশনের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ। স্টেশনটি নির্মাণে ৩৬ পিলারের ওপর ১৬২ স্প্যানের মধ্যে মাত্র ৪টি বসানোর কাজ বাকি আছে। আগামী জুনকে টার্গেট রেখেই কাজ চলছে।
রেল ব্রিজ এন্ড ভায়াডাক্টের ইনচার্জ প্রকৌশলী আমিনুল করিম বলেন, প্রধান চারটি ব্রিজের মধ্যে ২টি সম্পন্ন হয়েছে। অপর ২টির কাজ চলমান আছে। এরমধ্যে একটি ধলেশ্বরীতে অপরটি বুড়িগঙ্গায়। ধলেশ্বরী ব্রিজের কাজ প্রায় ৮৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
]]>




