বিনোদন

ধলেশ্বরীর ভাঙনে বিলীন ব্রিজ, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

<![CDATA[

পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে মানিকগঞ্জের ঘিওরে ধলেশ্বরী নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে কোসন্ডা-পেচারকান্দা পাকা সড়কের ব্রিজটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ওই ব্রিজটি ভেঙে যায়। এরপর থেকে ওই এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ১০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পড়েছেন ভোগান্তিতে।

জানা যায়, ভাঙন দেখা দিয়েছে ধলেশ্বরী নদীর ঘিওরের মাইলাগী, বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের কোসন্ডা, চর-কোসন্ডা, পেচারকান্দা, বেনুরা, চর বেনুরাসহ মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনা নদীর তীরবর্তী বেশ কয়েকটি স্থানে। তবে ধলেশ্বরী নদীর ঘিওরের কোসন্ডা ও চর- কোসন্ডার গ্রামের ভাঙনের মাত্রা বেশি। এতে হুমকির মুখে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, শশ্মানঘাট, মসজিদ, মন্দির, বসতভিটা ও ফসলী জমি। ভাঙন অতংকে দিন কাটছে ধলেশ্বরী নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের। সহায় সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন নদীর তীরবর্তী মানুষ।

গত ১৫ দিনে ধলেশ্বরী নদী ভাঙনে অর্ধশতাধিক পরিবার ঘর ভেঙে অন্য জায়গায় চলে গেছে।

আরও পড়ুন: নদী ভাঙনে বিলীনের পথে মুন্সীগঞ্জের দুই গ্রাম

বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. রতন মিয়া জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তারা জানিয়েছেন। কিন্তু ভাঙন রক্ষা ও ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে কেউ দাঁড়াননি।

ঘিওর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুর রহমান জানান, ভাঙন এলাকা পরিদর্শক করে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈনুল ইসলাম বলেন, এখানে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই নদীর ভেতরে চর পড়ে তার গতিপথ পরিবর্তনের কারণেই এ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই ওই চর কেটে দেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, গত ১৫ দিনে পাকা সড়কের ৪০০ মিটারসহ ৫০টি বসতভিটা ও ৭০ হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়েছে।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!