নরসিংদীতে নিখোঁজের পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার
<![CDATA[
নরসিংদীর পলাশে নিখোঁজের একদিন পর মো. ইসমাইল হোসেন নামে এক ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো. ইসমাইল হোসেন (২৪) নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল করিমপুর ইউনিয়নের বিলপাড় গ্রামের মো. ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে। ইসমাইলকে হত্যার পর তার ইজিবাইকটি ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করছে স্বজনরা।
পরিবারের সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ইসমাইল হোসেন ইজিবাইক নিয়ে শহরের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। পরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে গজারিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রামের পাকা রাস্তা ধরে পথ চলার সময় সড়কের পাশের একটি কলাবাগানে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পলাশ থানায় জানান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে বিস্ফোরণ: আরও একজনের মৃত্যু
এদিকে ইসমাইল হোসেনের স্বজনরা তার কোনো খোঁজ না পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সদর থানায় যায়। পরে পুলিশ পলাশের দড়িচর এলাকায় একটি মরদেহ পাওয়ার খবর জানায়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি ইসমাইলের বলে শনাক্ত করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর দুপুর দেড়টার দিকে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক জানান, নিহত ওই ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধারের সময় তার মুখ কাপড়ের টুকরা দিয়ে বাধা অবস্থায় ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় তার মাথার বামপাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়াও তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কাপড় দিয়ে মুখ বেধে হত্যার পর মরদেহটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে।
]]>




