নারায়ণগঞ্জে আরও পাঁচ হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
<![CDATA[
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অধিকাংশ এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের ছড়াছড়ি। অবাধে চলছে গ্যাস চুরির উৎসব। তিতাস কর্তৃপক্ষ দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও বন্ধ হচ্ছে না গ্যাস চুরি।
সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) আবারও অভিযান চালিয়ে বিচ্ছিন্ন করা হলো পাঁচ হাজার অবৈধ সংযোগ।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এ যেন অবৈধ গ্যাসের রাজ্য। প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে অবৈধ গ্যাসের সংযোগ। আর মাটি খুঁড়লেই বেরিয়ে আসছে অবৈধ গ্যাস লাইনের পাইপ। গত এক দশক ধরে সরকার সারা দেশে আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেয়া বন্ধ রাখলেও রূপগঞ্জের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার পাড়া মহল্লাগুলোতে চলছে গ্যাস চুরির উৎসব।
এই অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধে সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের আধুরিয়া ও দুপ্তারা ইউনিয়নের মাহনা এলাকায় দুইটি স্পটে অভিযান চালায় তিতাসের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান মারুফের নেতৃত্বে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত পাঁচ হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাইপ ও রাইজার।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে ৫টি বৃহৎ কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের মিটারিং অ্যান্ড ভিজিল্যান্স শাখার ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে উচ্চ চাপ সম্পন্ন বাণিজ্যিক সংযোগ থেকে অবৈধভাবে পাঁচ হাজার আবাসিক সংযোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইতিপূর্বে দুই দফায় এই অবৈধ সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করা হলেও পুনরায় অবৈধ সংযোগ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার তৃতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে দুইটি স্পটের মূল অবৈধ সংযোগসহ পাঁচ হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
তিতাসের সোনারগাঁও আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক মেজবাহ উর রহমান জানান, রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্পটে ত্রিশ হাজার অবৈধ সংযোগ চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে পনেরো হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
]]>




