বিনোদন

নিউইয়র্কে নতুন বন্দুক আইন, রিপাবলিকানদের বিরোধিতা

<![CDATA[

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা বন্ধে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি-অধ্যুষিত নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে নতুন বন্দুক আইন চালু হয়েছে। টাইমস স্কয়ারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র বহন।

একের পর এক বন্দুক সহিংসতার পর নিউইয়র্কে এবার চালু হলো এ সংক্রান্ত নতুন আইন। বিশ্বখ্যাত টাইম স্কয়ার এখন থেকে আগ্নেয়াস্ত্রমুক্ত বা গান ফ্রি জোন। নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থানে বন্দুক নিয়ে চলাফেরার ক্ষেত্রে নতুন এ আইন ঘোষণা করেছেন। 

নিউইয়র্কের সরকারি ভবন, স্কুল, গির্জা, পাতাল রেল, থিয়েটার, বিনোদন পার্কেও আগ্নেয়াস্ত্র বহন নিষিদ্ধ হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী, বন্দুক বহনকারীরা শুধু নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন, যেখানে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে। 

এ ছাড়া নতুন আইন অনুযায়ী, আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য আবেদনকারীদের ১৬ ঘণ্টার ক্লাসরুম প্রশিক্ষণ, দুই ঘণ্টা লাইভ-ফায়ার অনুশীলন ও তাদের ‘চরিত্র এবং আচরণ’ পর্যালোচনার জন্য সামাজিক মাধ্যমের তিন বছরের রেকর্ড জমা দিতে হবে।  

যদিও রিপাবলিকানরা এই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বিরোধীদের যুক্তি, এটি মানুষের বন্দুক বহন করার অধিকার ক্ষুণ্ন করবে। 

আরও পড়ুন: বন্দুক সহিংসতা ঠেকাতে ‍যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিল পাস

এর আগে, গত ২৩ জুন মার্কিন নাগরিকদের প্রকাশ্যে অস্ত্রবহনের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়, মার্কিনিদের জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার মৌলিক অধিকার রয়েছে। পরে এ রায়ের তীব্র সমালোচনা করে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘এ আদেশ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি সাধারণ মানুষকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে।’ 

বিলটিতে যেসব প্রস্তাব করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, ২১ বছরের কম বয়সীদের কাছে অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস যাচাই, মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি এবং স্কুলের নিরাপত্তার জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের কেন্দ্রীয় তহবিল বরাদ্দ ও পারিবারিক সহিংসতার ইতিহাস থাকলে অস্ত্র বিক্রি না করা। 

যুক্তরাষ্ট্রে মহামারিতে রূপ নিয়েছে বন্দুক সহিংসতা। সম্প্রতি দেশটিতে বন্দুক হামলার সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটে গেল মে মাসে। ২৪ মে টেক্সাসের উভালদে শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় ১৯ শিশুশিক্ষার্থীসহ ২১ জন নিহত হন।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!