নিজেকে টুইটারের ‘সোল ডিরেক্টর’ ঘোষণা ইলনের
<![CDATA[
টুইটারের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির নতুন মালিক ইলন মাস্ক। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন পর্ষদের সব সদস্যকে। সেই জায়গায় নিজে টুইটারের ‘সোল ডিরেক্টর’ তথা একমাত্র পরিচালক হয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে দাখিল করা নথিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দীর্ঘ কয়েক মাসের আলোচনা শেষে গত বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) টুইটারের মালিকানা কিনে নেন যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। এরপরই টুইটার নিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।
টুইটারের পরিচালক ছিলেন নয়জন। কিন্তু তারা এখন আর নেই। পুরো পরিচালনা পর্ষদই ভেঙে দেয়া হয়েছে।পরিচালনা পর্ষদ থেকে বিদায় নেয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে টুইটার বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ব্রেট টেলর ও সাবেক প্রধান নির্বাহী পরাগ আগারওয়ালও রয়েছেন।
বেশ কয়েক মাস আগেই ৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়ে টুইটার কেনার ঘোষণা দেন ইলন মাস্ক। এরপরই তিনি টুইটার কেনা নিয়ে পিছুটান দেন। তা নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ণ আদালতে যায়। সেই মামলার দফারফা হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানটি কিনে নিজের প্রোফাইলে ইলন মাস্ক লেখেন ‘চিফ টুইট’। তারপরই টুইটারের শীর্ষ তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করেন।
আরও পড়ুন: ইলন মাস্ক টুইটার কেনায় কঙ্গনার ‘তেলবাজি’
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পরাগ আগারওয়াল, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা নেড সিগাল, আইন ও নীতিমালাবিষয়কপ্রধান বিজয়া গাড্ডেকে সরিয়ে দেন। সে সময় ইলন মাস্ক এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘বার্ড ইজ ফ্রিড’ অর্থাৎ ‘পাখি এখন মুক্ত..’। ’ মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মটিকে বাক্স্বাধীনতার মুক্তাঙ্গন করার যে লক্ষ্য নিয়েছেন, এটি তার একটি ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়ার পর থেকে এ নিয়ে প্রতিনিয়ত নানা খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এর মধ্যেই নতুন মালিক ঘোষণা দিয়েছেন, টুইটারের টিক অর্থাৎ প্রকৃত টুইটার ব্যবহারকারীর প্রোফাইল যাচাই করার বিষয়টি আবারও খতিয়ে দেখা হবে।
এমনকি টুইটারে ভেরিফায়েড থাকতে টুইটার ২০ মার্কিন ডলার করে অর্থ নিতে পারে- এমন কথাও খবরে উঠে এসেছে। বর্তমানে নীল রঙের টিক পেতে কোনো অর্থ খরচ করতে হয় না। এদিকে ছাঁটাই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে টুইটারের সাড়ে সাত হাজার কর্মীর মধ্যে।
আরও পড়ুন: টুইটার কেনায় ইলনকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তোলে নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন। এতে বলা হয়, ‘টুইটারের পরিচালন ব্যয় কমাতে আগামী মাসের শুরুতেই ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছেন মাস্ক। পহেলা নভেম্বরের আগেই এসব ছাঁটাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।’ বিশ্বের গণমাধ্যমগুলোতে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নতুন ঝড়।
]]>




