নোয়াখালীতে দাফনের দেড় মাস পর কিশোরীর মরদেহ উত্তোলন
<![CDATA[
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের পশ্চিম উরিরচর গ্রাম থেকে দাফনের এক মাস ২৫ দিন পর রাবেয়া (১৮) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উত্তোলন করেছে পুলিশ। রাবেয়াকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার পর আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি উত্তোলন করে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা ও চরজব্বার থানা পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
গত ২৩ ডিসেম্বর নিহতের ভাই হাদিছ বাদী হয়ে প্রধান অভিযুক্ত আবদুল মান্নানসহ তিনজনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন।
আরও পড়ুন: দাফনের দুই মাস পর কৃষকের মরদেহ উত্তোলন
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাড়িতে একা থাকার সুবাদে প্রতিবেশী আবদুল মান্নান বিভিন্নভাবে রাবেয়াকে উত্ত্যক্ত করত। একপর্যায়ে সে রাবেয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে পরিবারের লোকজনের অজান্তে বিয়ের আশ্বাসে রাবেয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে আবদুল মান্নানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে অনীহা প্রকাশ করে।
গত ৩০ নভেম্বর বিকেলে আবদুল মান্নানের সহযোগী আবুল কালাম ও ইমাম উদ্দিন রাবেয়াকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং আবদুল মান্নানকে বিয়ে করার বিষয়টি ভুলে যেতে বলে। এসব বিষয়ে কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দিয়ে আসে। এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই রাতে বসতঘরে বিষপানে আত্মহত্যা করে রাবেয়া। আসামিদের হুমকিতে ও তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সে আত্মহত্যা করেছে অভিযোগ এনে এবং সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার আশায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে নোয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি মামলা করেন।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে দাফনের দুই মাস পর গৃহবধূর মরদেহ উত্তোলন
চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানান, আদালতের নির্দেশে নিহতের মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
]]>




