পুরোনো ম্যাপের সূত্র ধরে নাৎসি আমলের গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী
<![CDATA[
পুরোনো একটি ম্যাপের সন্ধান পেয়েছিলেন কয়েকজন। বলা হচ্ছিল, সেই ম্যাপ ধরে খনন কাজ চালালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সৈন্যদের লুকিয়ে রাখা গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া যাবে। সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে ম্যাপ ধরে কয়েকজন অতি উৎসাহী খননকাজ চালিয়েছে নেদারল্যান্ডসের একটি গ্রামে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) ডাচ ন্যাশনাল আর্কাইভ ম্যাপটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। ম্যাপটিতে গেল্ডারল্যান্ড প্রদেশের ওমেরেন গ্রামের বিষয়ে কিছু তথ্য নির্দেশ দেয়া রয়েছে।
আর্কাইভের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, মানচিত্র এমন একটি অবস্থানের পথ নির্দেশ করছে, যেখানে সোনা, রৌপ্য, রুবি, হীরা এবং বিভিন্ন ধরনের গয়না ভর্তি চারটি বড় বাক্স লুকিয়ে রেখেছে নাৎসি সৈন্যরা। আর্কাইভ আরও জানায়, রাষ্ট্রীয় গোপনীয় নথি হিসেবে এই ম্যাপটিকে অন্তত ৭৫ বছর হেফাজত করার কথা ছিল। চলতি সপ্তাহে সেই মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই ম্যাপটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ১৯৪৫ সালে নেদারল্যান্ড শত্রুমুক্ত হওয়ার পর এক জার্মান সৈন্য এই ম্যাপটি নেদারল্যান্ডসের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।
আরও পড়ুন: হিটলারের নাৎসি বাহিনী
ন্যাশনাল আর্কাইভের মুখপাত্র অ্যান-মারিকে স্যামসন রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, তারা কখনই গুপ্তধনের অস্তিত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হতে পারেনেনি। তবে ১৯৪৭ সালে একবার দেশটি ম্যাপটি ধরে গুপ্তধন খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করেছিল। বলাই বাহুল্য সেই চেষ্টা থেকে কিছু মেলেনি।
স্যামসন বলেন, ‘গুপ্তধনের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে। গুপ্তধন থাকার গল্পটিকে নির্ভরযোগ্য বলেও মনে করেছে তারা কিন্তু কখনই খুঁজে পাওয়া যায়নি।’
তবে যারা খনন কাজ শুরু করেছেন, তার সামান্য সুযোগ থাকলেও সেটাকে কাজে লাগাতে চান। তাদেরই একজন জ্যান হ্যানজেন বলেন, ‘এখানে মেটাল ডিকটেটর নিয়ে বেশ কয়েকদল মানুষই এসেছেন। তবে ৭০ বছর পরও এখানে গুপ্তধন থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তারপরও আমি চেষ্টা করতে চাই।’
]]>




