বাংলাদেশ

পুরো এশিয়াতে দাপট দেখাতে চায় বাংলার ফুটবল কন্যারা

<![CDATA[

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর এবার লক্ষ্য আরো উপরে। পুরো এশিয়াতে দাপট দেখাতে চান বাফুফে সভাপতি। মেয়েদের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে নতুন পরিকল্পনা তার। সাফ জয়ী মেয়েরা দেশে ফেরার পর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তিনি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলে মেয়েদের আরো বড় পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী, জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

দশরথ রঙ্গশালায় ফুটবলের রংয়ে মাতিয়ে ঢাকায় বাংলার স্বর্ণকণ্যারা। একটা শিরোপা পুরো জাতিকে গেথেছে এক সূতোয়। সানজিদাদের ছাদখোলা বাসে বিজয়উৎসবের জোয়ারে ভেসেছে পুরো দেশ। বিমানবন্দর থেকে সে জনস্রোত ছড়িয়ে পড়ে মতিঝিলের বাফুফে ভবনে। রাজকীয় সংবর্ধনার পর ফুটবল ফেডারেশনে পা রাখার পর সমর্থকদের ভালবাসায় সিক্ত হন ফুটবল যোদ্ধারা।

আরও পড়ুন: বসার জায়গা নেই সাফজয়ী অধিনায়ক-কোচের! 

সারা শরীরে ক্লান্তির ছাপ নিয়েই সমর্থকদের ভালবাসার জবাব দিয়েছেন সাবিনা-মারিয়ারা। পরম মমতায় ফুটবলারদের বরণ করে নেন বাফুফে সভাপতি। সোনার মেয়েদের নিয়ে তার স্বপ্নের পরিধি এখন আকাশ ছোয়ার।

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি তাদের পরের ধাপের দিকে তাকিয়ে আছি। দক্ষিণ এশিয়া ছেড়ে এবার আমরা পুরো এশিয়ায় রাজত্ব করতে চাই। এটার জন্য আমরা বেশ বড় পরিকল্পনা করেছি। তবে আমি অপেক্ষা করছি তহবিলের জন্য। এরপর আমরা থাইল্যান্ড, কোরিয়া, জাপানের সঙ্গে খেলব। খেললে হয়তো দু-চার গোলে হারব। তবে তাদের সঙ্গে খেলাটাই আমার পরবর্তী কর্মসূচি।’

হিমালয় জয়ের পর থেকে নারী ফুটবলারদের প্রতিটি মুহূর্তের খোজ রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেই ফুটবলারদের আরো বড় পুরস্কার দেবেন ক্রীড়া বান্ধব প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আমরা যখন চ্যাম্পিয়ন হলাম, তখনই আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করেছি। তা শুনেই তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, যা আমাদের শুনেই ভালো লেগেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই তাদের পাশে আছেন। তিনি বারবার আমাদের মেসেজ করে মেয়েদের খবর নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশে থাকলে হয়তো এই আনন্দটা আরও বেড়ে যেত। তিনি দেশে ফিরলে মেয়েদের আরও বড় পুরস্কার দিবেন।’   

দেশের মানুষের কাছ থেকে ভালবাসায় অভিভূত সাবিনারা। শীষ্যদের প্রতি আগে থেকেই ভরসা ছিলো কোচের। সে আস্থার প্রতিদান দেয়ায় খুশি দলের কান্ডারী কোচ ছোটন।

আরও পড়ুন: ছাদখোলা বাসে আনন্দযাত্রা /লাইভ দেখেই সাবিনাদের অর্ধকোটি টাকা উপহারের ঘোষণা  

বাংলাদেশের নারী দলের কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন বলেন, ‘সবসময় মেয়েদের আমি বলে এসেছি হার্ড ওয়ার্ক করতে। একটা সময় হয়তো তাদের খারাপ লাগতো। তবে এখন এই সাফল্যের পর সবাই বুঝতে পেরেছে যে আমি কেন মেয়েদের হার্ড ওয়ার্ক করতে বলতাম। তাদের প্রতি আগে থেকেই আমার বিশ্বাস ছিল যে তারা পারবে। আমার আস্থার প্রতিদান দেয়ায় আমি বেশ খুশি।’ 

সাবিনাদের হাত ধরেই শুরু হয়ে গেছে ফুটবলের নব জাগরণ। এটা ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে চায় বাংলার মেয়েরা।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!