পোড়া বই হাতে কাঁদছে সামিয়া
<![CDATA[
নতুন বই আগুনে পুড়ে যাওয়ার পাঁচদিন পার হয়ে গেলেও কান্না থামছে না চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়ার। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে পোড়া বই হাতে থেমে থেমে কেঁদে চলছে শিশুটি।
নতুন বই আগুনের কাছে হারিয়ে যাওয়ায় তার পড়াশোনা প্রায় বন্ধ এখন। সামিয়া দুই সপ্তাহ আগে হাতে পেয়েছিল এ নতুন বই। নতুন বইয়ের গন্ধ মুছে যাওয়ার আগেই বই পুড়ে ছাই।
গত রোববার (১৫ জানুয়ারি) রাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নে হোগলী গ্রামের হাটখোলা বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এতে মুহূর্তের মধ্যে সাতটি বসতঘর পুড়ে যায়। আগুনে শুধু বসতঘরই নয়, বসতঘরে থাকা সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: টেকনাফে আগুনে পুড়ল ৬ বসতঘর
এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আহসানউল্লাহ জানান, ওই বাড়ির সিরাজুল ইসলামের বসতঘর থেকে প্রথমে আগুন লাগে। পরে তা পাশের মাঈনউদ্দিন এবং সফিউল্লাহর বসতঘর ছাড়িয়ে অন্য আরও চারটিতে বিস্তার ঘটে। ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের দল আসার আগেই সব পুড়ে যায়।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমুনেচ্ছা জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার চেষ্টা চলছে। তার আগে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শিশু সামিয়াসহ আরও যে শিক্ষার্থীদের বই পুড়ে গেছে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন পাঠ্যবই সরবরাহ করতে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
]]>




