ফাইনালের লড়াইটা মার্টিনেজ-লরিসেরও
<![CDATA[
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পটলাইটে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের দুই গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এবং হুগো লরিস। আলবিসেলেস্তে গোলকিপার মার্টিনেজ আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। অন্যদিকে, ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ফাইনালের মঞ্চে নায়কোচিত পারফরম্যান্স উপহার দিতে চান ফরাসি গোলকিপার লরিস। মেসি-এমবাপ্পের ম্যাচে লড়াই চলবে তাই মার্টিনেজ ও লরিসেরও।
তাদের একটা ভুলে ভেস্তে যেতে পারে সব পরিকল্পনা, সব স্বপ্ন। বদলে যেতে পারে ম্যাচ পরিস্থিতি। গোলপোস্ট আগলে রাখার গুরুদায়িত্ব তাদের কাঁধে। গ্লাভস জোড়ায় আস্থা রাখে গোটা দল। কখনও তারা বনে যান গল্পের হিরো। কখনও বা ভিলেন।
বছর জুড়ে স্ট্রাইকার বা স্কোরারের মতো স্পটলাইটে থাকেন না গোলরক্ষকরা। কিন্তু, প্রতিপক্ষের আক্রমণের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে হয় তাদের। বিশ্বকাপের ময়দানে যা হয়ে ওঠে নিজ দেশের মর্যাদার লড়াইও। দোহার ফাইনালেও আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের গোললাইনে প্রহরীর ভূমিকায় থাকবেন দু’জন- এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও হুগো লরিস।
আরও পড়ুন:৩৬ বছর অপেক্ষার অবসানে জাদুকরের পানে চেয়ে আর্জেন্টিনা
বিগ ম্যাচের জন্য প্রস্তুত দু’জনই। আর্জেন্টাইনদের জন্য এমিলিয়ানো এক বড় ভরসার নাম। এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন গ্লাভসের অন্যতম দাবিদার আলবিসেলেস্তে গোলকিপার। অথচ আসরের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলে হারের পর তাকে ‘নব্য বাজপাখি’ বলে টিটকেরি করতে ছাড়েনি অনেকে। তবে, ভেঙে না পড়ে স্বরূপে ফিরেছেন এমি। তার দেয়াল ভাঙতে পারেনি মেক্সিকো, পোল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের দুই শট ঠেকিয়ে জয়ের নায়ক তিনিই।
২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৫ ও ১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে হার কিংবা ২০১৮ বিশ্বকাপ রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বাদ পড়ে রীতিমতো হতাশার চূড়ায় ছিলেন মেসি। কিন্তু, আলবিসেলেস্তে কিংবদন্তিকে আন্তর্জাতিক শিরোপার স্বাদ পাইয়ে দিতে বড় ভূমিকা আছে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। ২০২১ সালে দলে নিয়মিত হন। এরপর আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমা জয়ের অন্যতম নায়ক এমি।
তবে, অভিজ্ঞতায় যোজন যোজন এগিয়ে হুগো লরিস। এখন পর্যন্ত লা ব্লুদের হয়ে খেলেছেন ১৪৪ ম্যাচ। ফরাসিদের বিশ্বকাপ এবং নেশন্স লিগ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য তিনি। তবে, এবারের বিশ্বকাপে কিছুটা চাপের মুখে হুগো। এখন পর্যন্ত কেবল ১ ম্যাচেই ক্লিনশিট রাখতে পেরেছেন। নির্ধারিত সময়ে ফলাফল নিশ্চিত হওয়ায় শ্যুটআউটের পরীক্ষাও দিতে হয়নি ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষককে। দোহায় ফাইনালের মঞ্চে হয়তো কঠিন পরীক্ষায় ফেলবেন মেসি-আলভারেজরা। প্রায় দেড়শ’ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রাচীর তুলে দাঁড়াতে প্রস্তুত লরিসও।
]]>




