ফেনীতে জেলি মিশ্রিত মাছ বিক্রীর অভিযোগে চার মাছ ব্যবসায়ীর অর্থদন্ড, ১৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ
ফেনীতে জেলি ও ম্যাজিক বল মিশ্রিত ১৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রজত বিশ্বাস ফেনীর মুক্তবাজার মাছের আড়ৎ এ অভিযান চালিয়ে ক্ষতিকর জেলি মিশ্রিত গলদা চিংড়িগুলো জব্দ করেন। এসময় চার মাছ ব্যবসায়ীর ২৯ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রাদন করা হয়।
জেলা মৎস্য অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ফেনী শহরের বিভিন্ন আড়তে দীর্ঘদিন থেকে চিংড়ি মাছের ভেতর জেলি ও ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে ওজন বৃদ্ধি করে বিক্রি করে আসছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে ফেনী পৌর মৎস্য আড়তে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৪টি আড়ৎ থেকে ১৫০ কেজি জেলী ও ম্যাজিক বল মিশ্রিত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়।
জেলি মিছিয়ে মাছের ওজন বাড়ানোর অপরাধে বাজারের মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রন আইন ২০০৮ এর ধারায় মেসার্স চিটাগং ফিশিংকে ১০ হাজার, মেসার্স কর্ণফুলী মাছের আড়ৎকে ৭ হাজার, মেসার্স মোস্তফা ফিশিংকে ৭ হাজার ও মেসার্স পদ্মা মাছের আড়ৎকে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড (জরিমানা) করা হয়। পরে জব্দকৃত মাছগুলো জনসম্মুখে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান বলেন, কিছু অসাধু আড়ৎদার ওজন বৃদ্ধি করতে চিংড়ি মাছের মধ্যে জেলি ও ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে রাখেন। এদের প্রতিরোধ করতে প্রশাসন সোচ্চার রয়েছে।
অভিযানে জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুজন চৌধুরী, জেলা মৎস্য অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ মোস্তাফা জামানসহ জেলা প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তা ও মৎস বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




