Feni (ফেনী)ফেনী

ফেনীতে পুলিশের মামলায় যুবদল-ছাত্রদলের ১৪ নেতা কারাগারে

ফেনী | তারিখঃ October 3rd, 2022 | নিউজ টি পড়া হয়েছেঃ 83 বার

আদালত প্রতিবেদক->>

ফেনীতে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলা, পুলিশের গুলির পর বিএনপির ২২৪ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে দায়ের করা পুলিশের মামলায় যুবদল-ছাত্রদলের ১৪ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক। তারা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নিয়ে সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ ইমরান সালেহ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান বলে জানিয়েছেন ফেনী কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. গোলাম জিলানী।

কারাগারে যাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন- ফেনী জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এস এম কায়সার এলিন, ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন মাস্টার, ফেনী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন বাবলু, ফেনী জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকের হোসেন রিয়াদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শিমুল, দাগনভূঞা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ভিপি ইমাম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদুল ইসলাম রাহাত, দিদারুল আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফজলে রাব্বী, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম পাটোয়ারী ইবু, যুবদল নেতা ফজলুল হক মুন্না ও মামুন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ১২ আগস্ট ফেনী জেলা বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়। এ উপলক্ষে শহরের ইসলামপুর রোডে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের দুই থেকে আড়াইশো নেতাকর্মী জড়ো হন। একইদিন সেখানে ছাত্রলীগের মিছিল সমাবেশ ছিল।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ওই মিছিলের পেছনের অংশে হামলা করেন। এতে তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এসময় পুলিশ রাবার বুলেটসহ মোট ২৭ রাউন্ড ফাঁকাগুলি নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পরে পুলিশ বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘গত ১২ আগস্ট ফেনী জেলা বিএনপির জনসম্পৃক্ত সমাবেশে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী যৌথ হামলা চালিয়ে জাতীয়তাবাদী দলের বহু নেতাকর্মীদের মারাত্মকভাবে আহত করে। পরে আবার পুলিশ বাদী হয়ে উল্টো বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করে।’

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, ‘আওয়ামী পুলিশ প্রশাসনের এহেন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড ও আদালতের রায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে জাতীয়তাবাদী দলের সব বন্দির নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!