ফেনীতে বিসিক উদ্যোক্তা ও পণ্য প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত
<![CDATA[
স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে এবং তাদের সকল সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসন থেকে সর্বদা সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোনেমা আক্তার।
শনিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ জহির রায়হান হল মাঠে ১০ দিনব্যাপী বিসিক উদ্যোক্তা ও পণ্য প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রচার প্রচারণার জন্য এমন মেলা খুবই কার্যকরী। বিসিকের মেলায় যারা অংশ নিয়েছে তারা তাদের তৈরি করা পণ্য প্রদর্শন করার সুযোগ পেয়েছে। এতে করে স্থানীয়রা এসব পণ্য সম্পর্কে জেনেছে। জেলা প্রশাসন থেকেও উদ্যোক্তাদের সবসময় সহযোগিতা করা হবে। তাদের সকল সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে যাতে তারা আরও এগিয়ে যেতে পারে।
নারী উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নারীরা এখন ঘরে বসে না থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে কাজ করছেন। নিজে পণ্য তৈরির পাশাপাশি প্রযুক্তির সহায়তায় অনলাইনে বিক্রি করছে। এসব মেলার মাধ্যমে তাদের পণ্য সম্পর্কে মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে পারছে। এ সময় উদ্যোক্তাদের মানসম্মত পণ্য ও খাবার তৈরি করার আহবান জানান।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে শুরু হচ্ছে ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’
মোনেমা আক্তার বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই বিসিকের যাত্রা। বর্তমানে বিসিক দেশব্যাপী তরুণ উদ্যোক্তাসহ স্থানীয়দের সহযোগিতা করছে। এতে করে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারছে উদ্যোক্তারা। এ সময় স্থানীয় পণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে প্রচার প্রচারণা বাড়ানোর আহবান জানান তিনি।
বিসিকের সহকারী মহা ব্যবস্থাপক হালিম উল্ল্যাহ বলেন, মেলার আয়োজনের নির্দেশনায় আমাদের বলা হয়েছে শিল্প নগরীর উদ্যোক্তাদের সুযোগ করে দেয়া। পাশাপাশি তৃণমূলের যারা পুঁজির জন্য ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারছে না তাদেরকে তুলে আনার জন্য আমাদের এ উদ্যোগ। জেলা শহরের মানুষ যাতে উদ্যোক্তাদের সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ২ দিনব্যাপী সাহিত্য মেলা শুরু
তিনি বলেন, এখানে উদ্যোক্তাদের মিলনমেলা হয়েছে। একে অপরের পণ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছে। এতে করে উদ্যোক্তাদের মাঝেও ভাতৃত্ববোধ তৈরি হয়েছে। যা তাদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে আরও সহযোগিতা করবে।
মেলায় ২ লাখ টাকার বিক্রি করা কুমিল্লা বাটিক ফ্যাশনের সত্ত্বাধিকারী ফারজানা আক্তার মিতু বলেন, একই শহরে একদিকে পুলিশ নারী কল্যাণ সংস্থার মেলা হচ্ছে। বিপরীতে এই মেলায় যারা আসছে তারা ভালো পণ্য পেয়েছে। এমন মেলার মাধ্যমে নিজের এলাকায় নিজের তৈরি পণ্য প্রদর্শন করে প্রচার প্রচারণা করতে পারলে আমাদের জন্যই ভালো। এতে করে আমরা নিজের পণ্যগুলো সম্পর্কে মানুষকে জানাতে পারি, গ্রাহকের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে পারি।
কাজী লেদার প্রোডাক্ট অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের চেয়ারম্যান কাজী জামাল উদ্দিন বলেন, মেলার আয়োজন আরও ভালো হতে পারতো। প্রচার প্রচারণা আরও বেশি হলে উদ্যোক্তারা আরও সুফল পেত বলে মনে করেন তিনি।
]]>




