খেলা

বঙ্গবন্ধু টানেল জংশন: ৫ পয়েন্টে সরাসরি চলবে গাড়ি

<![CDATA[

যানজটমুক্ত করতে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তে ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘টানেল জংশন ডেভেলপমেন্ট’ নামে আরও একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সিডিএ। প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পেলে টানেল মুখ থেকে বেরিয়েই ৫টি পয়েন্টে সরাসরি চলবে গাড়ি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বঙ্গোপসাগর ঘেঁষে বঙ্গবন্ধু টানেলের চট্টগ্রাম নগরী প্রান্ত থেকে সরাসরি বেরিয়ে মুহূর্তেই যানবাহন চলে যাবে রিং রোড, কাঠঘর, আন্ডারপাস, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও বিমানবন্দরসহ ৫টি পয়েন্টে। প্রকল্প অনুযায়ী ঠিক একইভাবে প্রতিটি পয়েন্ট থেকে গাড়ি কোনো বাধা ছাড়াই যেতে পারবে ৫টি পয়েন্ট। থাকবে ৪টি করে ওভারপাস ও আন্ডারপাস। ব্যবস্থা আছে ইউলুপ ও ইউটার্নের। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে জন্য রাখা হবে একটি নান্দনিক কার পার্কিংও। তবে এর সুফল পেতে আগামী মার্চে টানেল চালুর পর কয়েক বছর অপেক্ষাও করতে হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সক্ষমতার প্রতীক কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের মুখে যানজট নিরসনে বাস্তবমুখী ‘টানেল জংসন ডেভেলপমেন্ট নামে আরও একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সিডিএ। এটি নির্মাণ করা হলে টানেলের মুখ পুরোপুরি যানজটমুক্ত হবে বলে জানান সিডিএর প্রকৌশলী রাজিব দাশ।

বর্তমানে টানেলের মুখের গোলচত্বরে যে ডিজাইন রয়েছে তাতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হবে। এর প্রেক্ষাপটে ট্রাফিক পুলিশ, সেতু বিভাগ, সিডিএসহ নানা সংস্থার সমম্বয়ের বৈঠকের পর নেয়া হয় টানেল জংশন প্রকল্পটি।

আরও পড়ুন: জানুয়ারিতে শেষ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ কাজ

বাস্তবায়নকারী সংস্থা সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, এ ব্যাপারে উচ্চপর্যায়ে কয়েক দফা মিটিং হয়েছে। আমরা নকশারও দেখিয়েছি। এরপরই নকশার অনুমোদন হয়েছে। এটা কমিটিও যাচাই-বাছাই করেছে। যেহেতু টার্নেলটি মার্চে উদ্বোধন হবে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কাজটি শেষ করতে হবে। ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হলে দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

নগর পরিকল্পনাবিদ আশিক ইমরান বলেন, আমাদের যেকোনো পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদি হয়। কাজ করার সময় ও পরে সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমাধানের জন্যও আরও নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে হয়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে নকশা না করায় বড় প্রকল্পের পেছনে নিতে হয় নতুন করে আরেকটি প্রকল্প। টানেলের মুখের গোলচত্বরে যে ডিজাইন রয়েছে তাতে তীব্র যানজট সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আনোয়ারা প্রকল্পেও একই অবস্থা বিরাজ করছে।

পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলের পর বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর মতো মেগা প্রকল্প বঙ্গবন্ধু ট্যানেল। চালু হবে আগামী মার্চে।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!