বর্ণিল আয়োজনে পৌষকে বিদায় জানালেন পুরান ঢাকাবাসী
<![CDATA[
বৈরী আবহাওয়ার কারণে জমেনি সাকরাইন উৎসবের মূল আকর্ষণ ঘুড়ি ওড়ানো। উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার বাড়ির ছাদগুলোতে বসে সব বয়সীর মিলনমেলা। ছিল ডিজে পার্টি ও আতশবাজি।
মেঘের বুকে আকাশের চিঠি। সেই চিঠিও আবার নানা রাঙের, নানা আকারের। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এবার সাকরাইন হয়েছে অনেকটা ঘুড়ি ছাড়াই। কারণ ঘুড়ি উড়তে যে পরিমাণ বাতাস প্রয়োজন সেটি ছিল না পৌষের শেষ দিনের আকাশে। তার ওপর কুয়াশা। তাই সাকরাইনে পুরান ঢাকার আকাশে ঘুড়ি ছিল না বললেই চলে।
পৌষের শেষদিনে বাংলাদেশ তো বটেই দক্ষিণ এশিয়ার বহু জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন নামে উৎসবের আয়োজন থাকে। পুরান ঢাকায় যার নাম সাকরাইন। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উৎসবে আসে ভিন্নমাত্রা। বাসার ছাদগুলোতে আয়োজন করা হয় ডিজে পার্টি।
আরও পড়ুন: রোববার রাজধানীর যেসব মার্কেটে যাবেন না
সঙ্গে শীতের আকাশে বর্ণিল আতশবাজি। এতে অংশ নেন সব বয়সী মানুষ। আয়োজনে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অনেকে। তবে এমন আয়োজন নিয়ে ভিন্নমতও আছে। তাদের চাওয়া সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশে যেন সব সময় সব যুগে শালীনতা বজায় থাকে।
এর আগে পুরান ঢাকার একটি বাসায় অংশ নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক সবাইকে ফানুস না ওড়ানোর অনুরোধ করেন।
আরও পড়ুন: ১৫ জানুয়ারি: ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় যত ঘটনা
বলা হয় বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ব্যবহার যেনো বাঙালির স্বকীয়তাকে নষ্ট করতে না পারে সেই আহ্বান জানান পুরান ঢাকাবাসী।
]]>




