বাংলাদেশের জয়ে পাকিস্তানের লাভ হলো যেভাবে
<![CDATA[
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অঘটনের শিকার পাকিস্তান। টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় তারা। এখনো সেমিফাইনালে যাওয়ার ক্ষীণ আশা রয়েছে বাবর আজমদের। এর মধ্যে রোববার (৩০ অক্টোবর) জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ে লাভ হয়েছে পাকিস্তানেরও।
সেমিফাইনালের অনিশ্চয়তা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলছে বাবর আজমরা। সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে এ ম্যাচে জিততে হবে তাদের। ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বাংলাদেশকেও হারাতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদের সর্বোচ্চ পয়েন্ট হতে পারে ৬। তারপর কাজে আসবে অঙ্ক। তবে এ ম্যাচগুলোর একটি ম্যাচে হারলেও দেশে ফেরার টিকিট কাটতে হবে বাবরদের।
এক্ষেত্রে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ভারতের জয় চাইবে পাকিস্তান। সেটা যদি হয়, তাহলে ‘সুপার ১২’ পর্যায়ের শেষে টেম্বা বাভুমাদের পয়েন্ট দাঁড়াবে পাঁচ। তবে সেখানেই বাবরদের প্রার্থনায় ইতি পড়বে না। জিম্বাবুয়েকে পয়েন্ট খোয়াতে হবে। রোববার বাংলাদেশের কাছে পয়েন্ট হারিয়েছে ক্রেগ আরভিনরা। তাই ভারতের বিপক্ষে হারবে ধরলেও জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাঁচের বেশি হবে না।
আরও পড়ুন: বিব্রতকর এক রেকর্ড গড়লেন সৌম্য
সেমিফাইনালে ওঠার জন্য শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পেয়েছে টাইগাররা। ভারত এবং পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের দুইটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তাই এখন পাকিস্তান চাইবে, ভারতের বিপক্ষে হেরে যাক বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে ভারতের বিপক্ষে হারলে জিম্বাবুয়ের পয়েন্ট হবে সর্বোচ্চ পাঁচ। আর টাইগাররা রোহিতদের বিপক্ষে হারলে, তাদের পয়েন্ট হবে চার। তখন দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিতে উঠতে পারবে পাকিস্তান।
যদিও প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে এখন কোনঠাসা পাকিস্তান। টানা দুই হারে সাবেকদের সমালোচনার তোপে বাবর আজমরা। কেউ আঙুল তুলছে অধিনায়কের দিকে, কেউবা পরিবর্তন চায় টিম ম্যানেজমেন্টে। জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যাওয়ায় পাকিস্তানের ব্যাটিংকে ‘লজ্জাজনক’ বলে বর্ণনা করেন শোয়েব আখতার এবং জাভেদ মিয়াঁদাদসহ দেশটির সাবেক ক্রিকেট তারকারা। বিশ্বকাপে খারাপ শুরুর জন্য দলের নিন্দাও করেন তারা।
আরও পড়ুন: বুমরাহকে অজি কিংবদন্তির সতর্কবার্তা
তবে দলটি সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার হারিস রউফ। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘মানুষের কাজ কথা বলা, তাই তারা কথা বলবেই। যেকোনো খেলায়ই সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। আমরা এখানে একটি টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছি। আর এখন সেদিকেই আমাদের ফোকাস রয়েছে। তাই আমরা সমালোচকদের কথা না শোনার চেষ্টা করি। তার পরিবর্তে আমরা আমাদের খেলার দিকে ফোকাস থাকি।’
]]>




