বাজারে মিলছে না চিনি, দাম বাড়ছে তেলের
<![CDATA[
রাজধানীর বাজারে নেই চিনি। মিললেও ৯০ টাকা দরের এক কেজির দাম পড়ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। এর কারণ হিসেবে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোনোভাবেই তারা মিল থেকে চিনি কিনতে পারছেন না। তারা জানান, মিলাররাও নানান যুক্তি দিচ্ছেন।
শনিবার (২২ অক্টোবর) মোহাম্মদপুর পাইকারি কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ীদের চিনির দাম কত–প্রশ্ন করা হলে জবাবে তারা জানান, সরবরাহ সংকটের কারণে তারা মিল থেকে চিনি কিনতেই পারছেন না, তাই বাজারদরও জানা নেই।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এখন তো বাজারে চিনিই নেই। তো বাজারদর কত তা তো বলা যায় না। চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি বাজারে ময়দাও নেই। আমরা টাকা দিয়েও কিনতে পারছি না।’
চিনির সংকটের বিষয়ে বিক্রেতারা জানান, মিলগেটে ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে ট্রাকের যানজট লেগে থাকছে। এ জন্য তারা প্রতিদিন ২ হাজার টাকা করে মাশুল গোনেন। দিনশেষে যা ভোক্তাকেই বহন করতে হচ্ছে।
এক বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা চিনি পাচ্ছি না। মিল কর্তৃপক্ষ বলছে যে তাদের গ্যাসের সমস্যা। তাই তাদের উৎপাদন কম। এতে আমরা চিনি কিনে আনতে পারছি না।
তবে মিরপুরের বাজারে সরেজমিন দেখা যায়, বাজারে খোলা চিনি মিললেও প্রতি কেজির দাম ১১০ থেকে ১২০ টাকা পড়ছে।
আরও পড়ুন: এবার বাজার থেকেই উধাও চিনি!
চড়া দামে চিনি বিক্রি করার বিষয়ে এক চিনি বিক্রেতা বলেন, সরকার চিনির যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, তার থেকে দ্বিগুণ দামে বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে চিনির দর ১২০ থেকে ১২২ টাকা।
এদিকে সরবরাহ স্বাভাবিক দাবি করলেও গত কয়েক দিনে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম স্বাভাবিকভাবে আগের থেকে একটু বেড়েছে। ড্রামপ্রতি ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে সয়াবিন তেল ছিল ৩১ হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার টাকা। পাম তেল ছিল ২২ হাজার টাকা, এখন তা ২২ হাজার ৮০০ টাকা।
অপরদিকে শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে মিরপুরে বাজার তদারকিতে এসে বেশি দামে চিনি বিক্রির দায়ে কয়েকটি দোকানকে জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
সংস্থাটি জানিয়েছে, পাইকারি দোকানে গিয়ে কিছু অসংগতি দেখা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, ৫/৬ দিন ধরে তারা কোনো চিনি পাচ্ছেন না এবং তাদের কোনো বিক্রি হয়নি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় তারা গতকাল, এমনকি গত পরশুও চিনি বিক্রি করেছেন। তবে তারা সেগুলোর কোনো এন্ট্রি রাখেননি।
]]>




